চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেকর্ড পরিমাণ সয়াবিন রফতানি করেছিল ব্রাজিল। গত মার্চে দেশটি থেকে কৃষিপণ্যটির রফতানি আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গত মাসে ১ কোটি ৩০ লাখ টনের বেশি সয়াবিন রফতানি করেছে দেশটি। ব্রাজিলের ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব সিরিয়াল এক্সপোর্টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী লুকাস ডি ব্রিতো জানান, চলতি বছরের মার্চে ব্রাজিল থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে ১ কোটি ৩১ লাখ টন সয়াবিন রফতানি হয়েছে। এটা দেশটির সয়াবিন রফতানি খাতে নতুন একটি মাসভিত্তিক রেকর্ড। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ব্রাজিলের রফতানিকারকরা মোট ১ কোটি ২০ লাখ টন সয়াবিন রফতানি করেছিলেন। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে দেশটি থেকে কৃষিপণ্যটির রফতানি বেড়েছে ১১ লাখ টন।

ব্রাজিল বিশ্বের শীর্ষ সয়াবিন রফতানিকারক দেশ। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর মন্দা ভাব কাটিয়ে প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরেছে ব্রাজিলের সয়াবিন রফতানি খাত। ২০১৯ সালে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৭ কোটি ৭০ লাখ টন সয়াবিন রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি। ২০১৮ সালে দেশটি থেকে আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমে মোট ৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৪ হাজার টন সয়াবিন রফতানি হয়েছিল।

ব্রাজিলের ইতিহাসে গত বছর সবচেয়ে বেশি সয়াবিন রফতানি হয়েছে। মূলত চীনের বাজারে কৃষিপণ্যটির রফতানি বাড়িয়েছে ব্রাজিল। চীন এতদিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সবচেয়ে বেশি সয়াবিন আমদানি করত। তবে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যযুদ্ধের জের ধরে আমদানি শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় ওয়াশিংটনের কাছ থেকে কৃষিপণ্যটির আমদানি কমিয়ে আনে বেইজিং। এতে কপাল খুলে যায় ব্রাজিলীয় রফতানিকারকদের। যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প বাজার হিসেবে ব্রাজিলের প্রতি ঝোঁকেন চীনা সয়াবিন আমদানিকারকরা।