কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত প্রসারে বিশ্বজুড়ে ডেটা সংরক্ষণের চাহিদা বহুগুণ বেড়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে জাপানের হার্ডডিস্ক ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানাগুলোয়। একসময় বিক্রয় সংকটে থাকা খাতটি এআই প্রযুক্তির কারণে আবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।"খবর নিক্কেই এশিয়া।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেসোনাক হোল্ডিংস ও টিডিকে করপোরেশনের মতো জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন হার্ডডিস্কের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের উৎপাদন বাড়াতে প্রতিযোগিতা করছে। কারণ এআই-চালিত ডেটা সেন্টারে গ্রাফিকস প্রসেসর ও হাই-ব্যান্ডউইডথ মেমোরি গুরুত্বপূর্ণ হলেও বিশাল পরিমাণ তথ্য স্থায়ীভাবে জমা রাখতে হার্ডডিস্কের বিকল্প নেই।
হার্ডডিস্ক তৈরির বহু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি মূলত জাপানি কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণে। যেমন তথ্য সংরক্ষণের মূল উপাদান ‘প্ল্যাটার’ ও তার ওপরের প্রলেপ তৈরি করে রেসোনাক। বর্তমানে বাজারে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে এটিই এ মিডিয়া বিক্রির একমাত্র প্রতিষ্ঠান। তথ্য পড়া ও লেখার কাজের জন্য চৌম্বকীয় হেডের শীর্ষস্থানীয় উৎপাদক টিডিকে। এছাড়া তথ্য পড়ার স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশে শীর্ষস্থান দখল করে আছে এনএইচকে স্প্রিং। স্পিন্ডল মোটর ও সার্কিট বোর্ডেও জাপানের এনআইডিইসি ও নিট্টো ডেনকোর আধিপত্য রয়েছে।
হার্ডডিস্ক তৈরির কাজ বেশ জটিল ও সূক্ষ্ম। এর চৌম্বকীয় হেড ও প্লেটের মধ্যকার দূরত্ব মাত্র কয়েক ন্যানোমিটার। রেসোনাকের কর্মকর্তাদের মতে, কারিগরি জটিলতার কারণে নতুনদের জন্য এ বাজারে আসা কঠিন। তাই এআই বিপ্লব জাপানের পুরনো প্রযুক্তি খাতকে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে।










