রাশিয়ার-ইউক্রেন আগ্রাসনের মধ্যে কীভাবে কৃষ্ণসাগরীয় বন্দরগুলো সচল রাখা যায় এবং বিকল্প সরবরাহ চেইন তৈরি করা যায় তাতে গুরুত্ব দিতে হবে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আয়োজিত গ্লোবাল গ্রেইনস কনফারেন্সে এ বিষয়গুলোই গুরুত্ব পেয়েছে।
ইউক্রেনের কৃষিনীতি ও খাদ্যবিষয়ক উপমন্ত্রী মারকিয়ান দিমিত্রাসেভিচ বলেন, ইউক্রেন তথা বিশ্বের খাদ্যনিরাপত্তার জন্য এ শস্য করিডর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের সমঝোতায় কৃষ্ণসাগরীয় বন্দরগুলো হয়ে লক্ষণীয় পরিমাণে বিভিন্ন গন্তব্যে গিয়েছে পণ্যবাহী জাহাজ। জি২০ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, মধ্যস্থতার ফলে ১ কোটি ৭ লাখ টন খাদ্যশস্য পরিবহন হয়েছে। এ বিশেষ করিডর ইউক্রেন ও তার মিত্রদেশগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।










