বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) আয়োজনে ‘পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্ক (আবেদন ও প্রাপ্তি) প্রক্রিয়া’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বিসিআই বোর্ডরুমে এ ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিসিআইয়ের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)। আলোচক বা ট্রেইনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (পেটেন্ট) মির্জা গোলাম সারোয়ার এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ট্রেডমার্কস) মো. মেহেদী হাসান।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিসিআইয়ের পরিচালক ড. দেলোয়ার হোসেন রাজা। কর্মশালায় বিসিআইয়ের সদস্য ও বিভিন্ন চেম্বার থেকে ২২ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও কর্মশালায় বিসিআই পবিচালক মো. শাহিদ আলম উপস্থিত ছিলেন।
বিসিআইয়ের সেক্রেটারি জেনারেল ড. মো. হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন, পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্ক দেশের শিল্প খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের জন্য মেধাসত্ব সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। আজকের এ কর্মশালার মাধ্যমে সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতার মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টি হবে এবং তাদের পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্ক অল্প সময়ে ও সহজে গ্রহণ করতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস। আমি এ কর্মশালার সাফল্য কামনা করছি।
পরিশেষে বিসিআই সভাপতি দেশের অর্থনীতিতে বিদ্যমান বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন এবং তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের মতামত গ্রহণ করেন। সকলকে শিল্পক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাসমূহ যথাযথভাবে সরকারের নিকট তুলে ধরার জন্য অংশগ্রহণকারী সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
কর্মশালার সভাপতি ড. দেলোয়ার হোসেন রাজা সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং বিসিআইয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের কর্মশালা ধারাবাহিকভাবে আয়োজন করার কথা জানান। তিনি সকলকে কর্মশালায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান।
কর্মশালার দ্বিতীয় ভাগে ‘পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্ক (আবেদন ও প্রাপ্তি) প্রক্রিয়া’ এর উপর আলোচক মির্জা গোলাম সারোয়ার ও মো. মেহেদী হাসান ২টি সেশনের মাধ্যমে তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
কর্মশালার শেষ অংশে অংশগ্রহণকারীদের মতামত নেয়া হয় এবং সকলের নিকট সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। বিসিআইয়ের সেক্রেটারি জেনারেল প্রধান আলোচক ও সকল অংশগ্রহণকারীকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানান এবং সবাইকে বিসিআইয়ের বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত থাকার অনুরোধ জানান।










