চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যেই বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে দুই কার্গো এলএনজি। একই সঙ্গে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কমে যাওয়া সরবরাহও বেড়েছে। গতকাল দুই কার্গো যোগ হওয়ার পর এলএনজি থেকে রূপান্তরিত গ্যাসের সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুটে। এর আগে বৃহস্পতিবার সরবরাহ প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমেছিল।

নতুন আসা দুই কার্গোর একটি ইন্দোনেশিয়া থেকে টোটালএনার্জিসের মাধ্যমে কেনা। শুক্রবার এটি চট্টগ্রামের মহেশখালীতে সামিটের টার্মিনালে পৌঁছায় এবং জাহাজ থেকে টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়। অন্য কার্গোটি অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা হয়েছে, যা আরামকো সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে কেনা।

পেট্রোবাংলার তথ্যানুযায়ী, গতকাল সকাল সাড়ে ৭টায় সামিট টার্মিনালে এলএনজি ক্যারিয়ার ‘প্যাসিফিক সাকসেস’-এর সব লাইন ফাস্ট করা হয়। এরপর জাহাজ থেকে টার্মিনাল এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়। কার্গোটি ইন্দোনেশিয়া থেকে এসেছে, যা টোটালএনার্জিসের কাছ থেকে স্পট মার্কেটের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।

অন্যদিকে এদিন বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে এক্সিলারেট টার্মিনালে এলএনজি ক্যারিয়ার ‘ফেরোল নুটসেন’ থেকে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়। অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা এ কার্গো আরামকো সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে কেনা হয়েছে।

এদিন বেলা ২টার হিসাব অনুযায়ী, দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ করা হয় ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। আর এলএনজি থেকে রূপান্তরিত গ্যাস বা আরএলএনজি সরবরাহ ছিল ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট।

নতুন দুই কার্গো যুক্ত হওয়ায় এলএনজি সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে এ সরবরাহ কিছুটা স্বস্তি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।