দিনাজপুরের হিলিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে রসুনের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪০ টাকা। সরবরাহ কমে যাওয়ায় মোকামে পণ্যটির দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। খুচরা বাজারে পণ্যটির দামেও এখন প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

হিলি বাজারে গতকাল ঘুরে দেখা গেছে, বাজারের প্রতিটি দোকানেই রসুনের যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে। এর পরও ঊর্ধ্বমুখী ছিল মসলাপণ্যটির দাম। এক সপ্তাহ আগেও প্রকারভেদে প্রতি কেজি দেশী রসুনের দাম ছিল ১৮০-২০০ টাকা, যা বর্তমানে ২২০-২৪০ টাকা।

হিলি বাজারের রসুন বিক্রেতা আবুল হাসনাত বলেন, ‘‌কৃষকদের কাছে বর্তমানে সংগৃহীত রসুনের বেশির ভাগ শুকনা। অনেকেই উৎপাদিত রসুন বীজ হিসেবে সংরক্ষণ করছেন। এসব কারণে তারা মসলাপণ্যটির বিক্রি কমিয়েছেন। এছাড়া আগে বাজারে কৃষকদের সরবরাহকৃত রসুনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২০ মণ। বর্তমানে তা কমে পাঁচ-সাত মণে দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে মোকামগুলোয়ও রসুন মজুদ করে রাখছেন অনেক ব্যবসায়ী। ফলে ঊর্ধ্বমুখী রসুনের দাম।’

তিরি আরো বলেন, ‘‌মোকামে এর আগে মণপ্রতি রসুনের দাম ছিল ৬ হাজার ৭০০ থেকে ৬ হাজার ৮০০ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে মণপ্রতি ৮ হাজার টাকা হয়েছে। এছাড়া অন্য আরেক জাতের রসুনের মণপ্রতি দাম ছিল ৭ হাজার ৭০০ থেকে ৭ হাজার ৮০০ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে মণপ্রতি ৮ হাজার ৪০০ টাকায় পৌঁছেছে। মোকামে দাম বেশি থাকায় তার সঙ্গে সংগতি রেখে খুচরায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’