নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে আটা-ময়দার দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থিতিশীল। তবে কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে বেচাকেনায় মন্দা চলছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, এক সপ্তাহ ধরে নিতাইগঞ্জের আটা-ময়দার মিলগুলো চলছে এক শিফট ও কম সময় ধরে। অনেক মিল আবার উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। মিল বন্ধ থাকার কারণে অলস সময় পার করছেন মিলের শ্রমিক-কর্মচারীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিতাইগঞ্জ বাজারে ভালো মানের ময়দা বেচাকেনা হচ্ছে (৫০ কেজির বস্তা) ২ হাজার ৫৫০ থেকে ৫৬০ টাকা দরে। কেজিপ্রতি দাম ৫১ টাকা। মানের দিক থেকে কিছুটা নিম্নমানের ময়দা বেচাকেনা হচ্ছে (৫০ কেজির বস্তা) ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে, যার কেজিপ্রতি দাম ৫০ টাকা।
এদিকে ভালো মানের আটা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে (৫০ কেজির বস্তা) ১ হাজার ৭৫০ টাকা দরে, যা কেজিপ্রতি পাইকারিতে বেচাকেনা হচ্ছে ৩৫ টাকায়। অন্যদিকে কিছুটা নিম্নমানের আটার দাম ১ হাজার ৭০০ টাকা, যা কেজিপ্রতি ৩৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের আটা-ময়দা ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি শেখ ওয়াজেদ আলী বাবুল জানান, প্রায় এক মাস ধরে আটা-ময়দার দাম স্থিতিশীল থাকলেও বাজারে বেচাকেনা নেই। গত তিনদিন মিল বন্ধ রাখার পর আজ এক শিফটে মিল চলছে। তিনি বলেন, ‘ছাত্রদের কোটা আন্দোলন ও সহিংসতার কারণে বেশ কিছুদিন সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। সে সময় থেকে আটা-ময়দার বেচাকেনা কমতির দিকে রয়েছে। আবার যেভাবে আন্দোলন হচ্ছে, তাতে ব্যবসায়ীরা আরেক দফা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে ট্রাকচালকরা পণ্য নিয়ে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যেতে ভয় পাচ্ছেন। ফলে আমাদের ব্যবসা একেবারে স্থবির হয়ে পড়েছে।’
বাজারের আরেক আটা-ময়দা ব্যবসায়ী জানান, আগে প্রতিদিন যেখানে প্রতিটি কারখানা থেকে ১০ টন আটা-ময়দা বেচাকেনা হতো, সেখানে আজ এক টন গমও বিক্রি হয়নি।










