আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ২৯ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ টাকা ১৬ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪১ টাকা ২১ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১৬ টাকা ৩০ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৬ টাকা ৮৩ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৭ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ২১ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ২৪০ শতাংশ নগদ ও ৬০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৬০ টাকা ৬৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৪৩ টাকা ৮০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৩৯ টাকা ৬০ পয়সায়।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) বাংলাদেশ লিমিটেডকে ইউনিলিভার কর্তৃক অধিগ্রহণের পর ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে কোম্পানিটির নতুন নাম হয় ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২০৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৮। এর ৯২ দশমিক ৮০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৫৩, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










