প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজারে আগে থেকেই মন্দা ভাব বিরাজ করছে। সরবরাহ খাতের চাঙ্গা ভাবের জের ধরে প্রাক্কলনের তুলনায় কম দামে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি পণ্যটি। এ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামে বিদ্যমান এ মন্দা ভাব আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। জ্বালানি খাতের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রাইস্টাড এনার্জির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। খবর রয়টার্স ও অয়েলপ্রাইসডটকম। 

নরওয়েভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাড়তি সরবরাহ আগে থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দরপতনের পেছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। এখন এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী। এর জের ধরে জ্বালানি পণ্যটির চাহিদা অনেকটাই কমেছে। বাড়তি সরবরাহের বিপরীতে চাহিদায় শ্লথতা কমিয়ে দিয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম। 

সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর ডাচ টিটিএফ হাবে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট বা ২৭ দশমিক শূন্য ৯৬ ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাসের গড় দাম (ইউরোপিয়ান বেঞ্চমার্ক) দাঁড়াতে পারে ৩ ডলার ২০ সেন্টে, যা গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত প্রাক্কলনের তুলনায় ৬২ সেন্ট কম। 

অন্যদিকে এশিয়ার স্পটমার্কেটে চলতি বছর প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট এলএনজির গড় দাম দাঁড়াতে পারে ৩ ডলার ৮০ সেন্টে। যুক্তরাষ্ট্রের হেনরি হাবে এ বছর প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট প্রাকৃতিক গ্যাসের গড় দাম ১ ডলার ৯৪ সেন্ট থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী বছর তা ২ ডলার ৪৩ সেন্টে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।