আমদানি পণ্যের শুল্ক-কর হার পর্যায়ক্রমে হ্রাস করা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সংলাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১১০ টি পণ্যের আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, ৬৫ টি পণ্যের আমদানি শুল্ক হ্রাস, ৯ টি পণ্যের সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার ও ৪৪২ টি পণ্যের সম্পূরক শুল্ক হ্রাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। শুল্ক-কর যৌক্তিকীকরণ প্রসঙ্গে বাজেট বক্তৃতায় এসব তথ্য জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বিদ্যমান শুল্ক-কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস প্রসঙ্গে বক্তৃতায় অর্থ উপদেষ্টা বলেছেন, আগামী অর্থবছরে বিদ্যমান ছয় স্তর বিশিষ্ট শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করে একটি নতুন স্তর তিন শতাংশ যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে আমদানি পর্যায়ে বারো স্তর বিশিষ্ট সম্পূরক শুল্কহারের পাশাপাশি নতুন একটি সম্পূরক শুল্কহার চল্লিশ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে, সর্ব সাধারণের সুবিধার্থে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, প্রধান প্রধান খাদ্যদ্রব্য, সার, বীজ, জীবন রক্ষাকারী ঔষধ ও তুলাসহ আরো কতিপয় শিল্পের কাঁচামালের ক্ষেত্রে বিদ্যমান শূন্য শুল্ক হার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি।
ট্যারিফ ও ন্যূনতম মূল্য যৌক্তিকীকরণ প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেছেন, বর্তমানে বলবৎ ন্যূনতম ও ট্যারিফ মূল্য পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করার অংশ হিসেবে বিদ্যমান সকল ট্যারিফ মূল্য প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৮৪ টি পণ্যের ন্যূনতম মূল্য প্রত্যাহার ও ২৩টি পণ্যের ন্যূনতম মূল্য বৃদ্ধি করে শুল্ক মূল্য যৌক্তিক করার প্রস্তাব করা হয়েছে।















