চাল ও অন্য খাদ্যপণ্যের জন্য কম শুল্কহারের সুবিধা আগামী বছরের শেষ পর্যন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিলিপাইন। মূল্যস্ফীতি মোকাবেলায় সহায়তা করতে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র।
২০২১ সালে অনুমোদন হওয়া সংশোধিত শুল্ক হার কার্যকরের সময়সীমা চলতি বছরই শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে উঠেছে মূল্যস্ফীতির হার। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে শুল্ক সুবিধার মেয়াদ ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
এর অর্থ হলো আমদানি করা চালের ওপর শুল্ক হার ৩৫ শতাংশ বজায় থাকবে। একই সময়ে ভুট্টা ও শূকরের মাংসসংক্রান্ত পণ্যে আরোপ থাকবে যথাক্রমে ৫-১৫ শতাংশ ও ১৫-২৫ শতাংশ শুল্ক।
এছাড়া দেশটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় কয়লা আমদানির জন্য কোনো শুল্ক দিতে হবে না। এ সুবিধা আগামী বছরের শেষ পর্যন্ত পাওয়া যাবে। তবে নিয়মিত বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এক বিবৃতিতে ফিলিপাইনের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সচিব আরসেনিও বালিসাকান বলেন, এ শুল্কনীতির মাধ্যমে আমরা আমাদের অভ্যন্তরীণ খাদ্য সরবরাহ বৃদ্ধি করতে চাই। একই সঙ্গে বিভিন্ন উৎস থেকে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাই এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশে যে মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা প্রশমন করতে চাই।
গত নভেম্বরে ফিলিপাইনের ভোক্তা পণ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য শতাংশ। এটি দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যসীমা ২-৪ শতাংশের তুলনায় ভালো ছিল। যাকে চলতি বছর এবং মধ্যবর্তী সময়ের জন্যও ভালো বলে ধরে নেয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মূল্যস্ফীতির কারণে এ বছর দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাত দফায় সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে আনতে ২০২৩ সালের জন্য অর্থনৈতিক নীতিমালা আরো কঠিন করার কথাও জানানো হয়েছে।










