আবুল খায়ের গ্রুপের উদ্যোগে দেশের বেসরকারি খাতের বন্ধ হয়ে যাওয়া চারটি পাটকল পুনরায় চালু করা হয়েছে। ফরিদপুর ও কুষ্টিয়ায় অবস্থিত এসব কারখানায় বর্তমানে পাটজাত পণ্য উৎপাদন হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। শিল্প গ্রুপটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফরিদপুরের রাজ্জাক জুট ইন্ডাস্ট্রিজ, দাহমাশী জুট ইন্ডাস্ট্রিজ ও ফরিদপুর জুট ফাইবার্স এবং কুষ্টিয়ার কুষ্টিয়া জুট ইন্ডাস্ট্রিজ। বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এসব কারখানা সম্প্রতি আবুল খায়ের গ্রুপের ব্যবস্থাপনায় চালু করা হয়। এরই মধ্যে উৎপাদিত পাটজাত পণ্য তুরস্ক, চীনসহ বিভিন্ন দেশে রফতানিও শুরু হয়েছে।
আবুল খায়ের গ্রুপ জানিয়েছে, এসব পাটকল থেকে বছরে ৮০ হাজার টন পাটের সুতা ও পাটজাত পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১২০ কোটি ডলার বা প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার পাটের সুতা রফতানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে শিল্প গ্রুপটি।
আবুল খায়ের গ্রুপের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড লিগ্যাল শেখ শাবাব আহমেদ বলেন, ‘পাটপণ্যের ব্যবসা মূলধননির্ভর। দেশের বেসরকারি খাতে অনেক পাটকল বন্ধ থাকায় নতুন কারখানা স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান বন্ধ কারখানাগুলো নিয়েই কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, সরকারি খাতের বন্ধ থাকা আরো তিন-চারটি পাটকল নেয়ার জন্য আবেদন করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ।
শিল্প গ্রুপটি বলছে, বাংলাদেশের পাটের মান ভালো। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এ পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারও রয়েছে। এসব কারণে এ খাতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে পাটচাষীদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নেও ভূমিকা রাখার আশা করছে আবুল খায়ের গ্রুপ।










