বয়স্ক জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান ব্যয় ও উচ্চ সুদহারের ফলে মার্কিন সরকারের ঋণ পরবর্তী দশকে ১৯ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ৫৪ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও)। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে দেশটির সরকারি ঋণ ৩৪ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। খবর আরটি নিউজ।
মার্কিন সরকারি ঋণ আগামী এক দশকে কয়েক গুণ বাড়বে বলে সতর্ক করেছে দেশটির কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস। বাজেট অফিসের তথ্যমতে, ২০৩৪ সালে দেশটির বার্ষিক ঘাটতির পরিমাণ চলতি বছরের ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি থেকে বেড়ে ২ লাখ ৬০ হাজার কোটিতে পৌঁছবে। এছাড়া দেশটির জাতীয় ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৮ দশমিক ৯ ট্রিলিয়নে।
মার্কিন ইতিহাসে অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় ২০৩৪ সালে দেশটির মোট অর্থনৈতিক উৎপাদনের অংশ হিসেবে আরো বেশি ঋণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সিবিওর পরিচারলক ফিলিপ সোয়াগেল। তার ভাষ্যমতে, এ আগাম বার্তা দেশটির অর্থনৈতিক গতিপথ ভয়ংকর। যদিও গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে সরকারি ঋণের পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে ধারণা তার।
সম্প্রতি ইসরায়েল ও ইউক্রেনকে মার্কিন সহায়তা নিয়ে দ্বন্দ্বে জাড়িয়েছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা। বাজেট অফিসের এ সতর্কবার্তা এমন সময় এল যখন পরের মাসে দেশটির ফেডারেল ব্যয় আইন সম্পর্কে বৈঠকের কথা রয়েছে।
এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদহার গত এক বছরে দুই দশকে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, ফলে দেশটির জাতীয় ঋণ ব্যয় আরো বাড়ছে। সিবিওর তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৪-৩৪ সাল পর্যন্ত উচ্চ সুদ বাবদ খরচ হবে ১২ ট্রিলিয়ন ডলার। এতে পরের বছর দেশটির মোট সুদ ব্যয় আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। এছাড়া স্বাস্থ্য খাত ও বয়স্ক জনসংখ্যার ব্যয় বাড়ার ফলে সরকারি ব্যয়ও বাড়বে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।










