রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এএইচএম আহসান বলেছেন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। ছোট উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ধীরে ধীরে মাঝারি ও বড় শিল্প উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে।

বরিশাল পুলিশ লাইন সেলিব্রেশন পয়েন্টে গতকাল ইপিবি আয়োজিত রফতানি পদ্ধতি এবং ডকুমেন্টেশন বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বরিশাল জেলা প্রশাসন ও বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সেমিনার আয়োজনে সহায়তা করে।

এএইচএম আহসান বলেন, নতুন শিল্পোদ্যোগকে সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। সেজন্য পণ্যের গুণগত মান রক্ষা করতে হবে। দেশের বাজারে আগে পণ্য বিক্রি করতে হবে। দেশের বাজারের জনপ্রিয়তা পেলেই আন্তর্জাতিক বাজারে জনপ্রিয়তা পাবেন। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন, অর্থ ও মানবসম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে।

সভায় জানানো হয়, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রফতানি আয় ছিল ৩৪৮ মিলিয়ন ডলার। রফতানি পণ্যের সংখ্যা ছিল ২৫। ২০২১-২২ অর্থবছরে এসে তা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৯৭১ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলারে। রফতানি পণ্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬২টিতে।

সভায় আরো জানানো হয়, বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বের ৫২টি দেশে পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে কয়েকটি দেশে বাংলাদেশ সব পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং কয়েকটি দেশে কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করছে। এটা শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বড় পাওয়া।

বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি মো. আমিনুর রহমান খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক গৌতম বাড়ৈ, বরিশাল বিসিক জেলা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মো. নজরুল ইসলাম, ফরচুন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন শিল্প উদ্যোক্তা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।