নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর জের ধরে আফ্রিকার দেশ ঘানার কাজুবাদাম শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে রয়েছে। চলতি বছর পণ্যটির রফতানি থেকে দেশটির আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। খবর ঘানাওয়েব।

চীন বিশ্বের শীর্ষ কাজুবাদাম আমদানিকারক দেশ। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে খাদ্যপণ্যটির মোট বৈশ্বিক উৎপাদনের ১০ শতাংশ আমদানি করে বেইজিং। দেশটিতে সবচেয়ে বেশি কাজুবাদাম সরবরাহ করে ভিয়েতনাম। আর ভিয়েতনাম হচ্ছে ঘানার কাজুবাদাম রফতানির বড় বাজার।

বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও ভিয়েতনাম ঘানা, আইভরি কোস্ট ও অন্যান্য দেশ থেকে প্রচুর কাজুবাদাম আমদানি করে, যা প্রক্রিয়াজাত করে পুনরায় রফতানি করা হয়।

২০১৭ সালে ভিয়েতনামে কাজুবাদাম রফতানি থেকে ঘানা ২৬ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার আয় করেছিল। ২০১৮ সালে তা বেড়ে ৩৭ কোটি ৮২ লাখ ১০ হাজার ডলারে উন্নীত হয়। গত বছরও এ খাতে দেশটির আয় ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

তবে নভেল করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছর চীনে কাজুবাদামের চাহিদা কমে গেছে। ফলে ভিয়েতনাম ঘানা থেকে পণ্যটির আমদানি কমিয়ে দিয়েছে। ফলে এ খাতে ঘানার আয় আরো কমে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।