জাপানের জনপ্রিয় খাবার সুশি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে নতুন তিনটি জি-শক ঘড়ি উন্মোচন করেছে ক্যাসিও। টুনা, স্যামন রো ও স্যামনের আদলে তৈরি করা হয়েছে ঘড়িগুলোর রঙ, উপকরণ ও নকশা। ক্যাসিওর ইয়ামাগাতা কারখানায় তৈরি এসব ঘড়ি জাপানের ক্যাসিও ওয়েবসাইটে প্রি-অর্ডার করা যাচ্ছে। চলতি মাসের শেষ দিকে ডিভাইসগুলো সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন সিরিজের প্রথম মডেলটির দাম ১৯ হাজার ২৫০ ইয়েন, যা প্রায় ১২২ ডলারের সমান। ডিজিটাল ৫৬০০ সিরিজের ঘড়িটি টুনা মাছের আদলে তৈরি। ঘড়ির কেস ও ব্যান্ডে ব্যবহার করা হয়েছে লাল স্বচ্ছ রেজিন। ডায়ালে টুনার মাংসের মতো নকশা রয়েছে। এর সঙ্গে সবুজ রঙের কিছু অংশে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ওয়াসাবির ভাব।
দ্বিতীয় মডেলটির দাম ২০ হাজার ৩৫০ ইয়েন বা প্রায় ১২৮ ডলার। ঘড়িটি ৬৯০০ সিরিজের গোলাকার কেস ব্যবহার করে তৈরি। এর নকশায় অনুপ্রেরণা নেয়া হয়েছে ইকুরা গুনকান-মাকি বা স্যামন রো সুশি থেকে। ঘড়ির কালো বেজটি দেখতে সুশিতে ব্যবহৃত সামুদ্রিক শৈবালের আবরণের মতো। স্বচ্ছ ডায়ালে স্যামন রোর মতো নকশা রয়েছে। রেজিনের ব্যান্ডের ভেতরের অংশ সাদা। এটি সুশির ভাতের প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছে।
তৃতীয় মডেলটি অ্যানালগ-ডিজিটাল ঘড়ি। দাম ২১ হাজার ৪৫০ ইয়েন বা প্রায় ১৩৬ ডলার। তাজা স্যামনের আদলে তৈরি ঘড়িতে ব্যবহার করা হয়েছে কমলা রঙ। ডায়ালের নকশাও স্যামনের মাংসের মতো করে তৈরি। ঘড়িটির কাঁটায়ও রয়েছে বিশেষত্ব। ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটা জাপানি রান্নাঘরে ব্যবহৃত ছুরির আদলে তৈরি।
তিনটি ঘড়িতেই কিছু অভিন্ন নকশা রাখা হয়েছে। স্টেইনলেস স্টিলের কেসের পেছনে জাপানি চায়ের কাপের নকশা খোদাই করা হয়েছে। জাপানে সুশি খাওয়ার পর ঐতিহ্যগতভাবে এ ধরনের চা পরিবেশন করা হয়।
ঘড়িগুলোর প্যাকেজিংয়েও জাপানি সংস্কৃতির ছাপ রয়েছে। প্যাকেটের নকশা করা হয়েছে জাপানি স্যুভেনির বাক্সের আদলে। ঘড়ি বের করার পর প্যাকেটের নিচে ওয়াসাবির একটি ছাপ দেখা যায়। খবর ও ছবি গিজমোচায়না










