নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খরিপ-১ মৌসুমে পাবনা জেলার নয়টি উপজেলায় ৭ হাজার ৪০০ টন হলুদ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। আর এজন্য ১ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিকে হলুদ চাষের আওতায় আনা হয়েছে।
পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য পাবনা সদর উপজেলায় ৫৫০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষের আওতায় আনা হয়েছে। এসব জমি থেকে উৎপাদন হবে ২ হাজার ২০০ টন হলুদ। আটঘড়িয়া উপজেলায় ৩৭৮ হেক্টর জমি আবাদের বিপরীতে উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ১ হাজার ৫৪০ টন। ঈশ্বরদী উপজেলায় ২৪৫ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ করা হয়েছে। উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ১ হাজার ৪০ টন। চাটমোহর উপজেলায় ১৯০ হেক্টর জমিতে হলুদ আবাদ করা হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৭৬০ টন। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ১৫ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ করা হয়েছে। উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে ৬০ টন। ফরিদপুর উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমি থেকে ৪০ টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বেড়া উপজেলায় ৫৫ হেক্টর জমি হলুদ চাষের আওতায় আনা হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদন ধরা হয়েছে ২২০ টন। সাথিয়া উপজেলায় ২৪০ হেক্টর জমিতে হলুদ আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৪০ টন। সুজানগর উপজেলায় ৩৪ হেক্টর জমিতে হলুদের আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৪৫ টন।
সুজানগর উপজেলার কাকিয়ান গ্রামের হলুদচাষী জামির সরদার জানান, বৃষ্টির কারণে হলুদের উৎপাদন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বৃষ্টির পর পরই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে হবে। স্বল্প ব্যয়ে আবাদকৃত ফসলটি থেকে বেশ লাভবান হন কৃষক।
লাইব্রেরি বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহ জানান, হলুদের দাম আগে কম থাকলেও বর্তমানে বেড়েছে। পণ্যটি প্রকারভেদে চার থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. জামাল উদ্দিন জানান, হলুদের আবাদ ভালো হয়েছে। তবে বৃষ্টিতে উৎপাদন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ক্ষতি রোধের জন্য মাঠ পর্যায়ে কর্মরত উপসহকারী কর্মকর্তাকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।










