দেশটি কোকো রফতানির ওপর চুক্তির প্রিমিয়াম বা সংযোজিত মূল্য বাড়িয়েছে। আগামী মৌসুমের ফসল উৎপাদন নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে চকোলেটের কাঁচামালের দাম আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। খবর এফএসএক্স বিজনেস।

আইভরি কোস্টের কোকো খাতের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা কফি অ্যান্ড কোকো কাউন্সিল (সিসিসি) আগামী ২০২৬-২৭ মৌসুমের জন্য কোকোর আগাম বিক্রির গতি ধীর করে দিয়েছে। সংস্থাটি এরই মধ্যে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া মূল ফসলের প্রায় ১০ লাখ টন কোকো বিক্রির চুক্তি নিশ্চিত করেছে। তবে নতুন করে চুক্তি করার ক্ষেত্রে তারা এখন বেশ ধীর ও সতর্কনীতি অবলম্বন করছে।

সংশোধিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোকো কিনতে হলে রফতানিকারকদের এখন আন্তর্জাতিক বাজারদরের চেয়ে টনপ্রতি ন্যূনতম ১০০ পাউন্ডের বেশি প্রিমিয়াম দিতে হবে।

বিশ্বজুড়ে বড় বড় চকোলেট প্রস্তুতকারক কোম্পানি ও পণ্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোকোর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় বাজারে সরবরাহ কমে আসায় এ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

কোকো উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে আবহাওয়াকে দায়ী করা হচ্ছে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী মাসগুলোয় এ অঞ্চলে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ফলে পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার প্রধান প্রধান কোকো উৎপাদনকারী অঞ্চলে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টিপাতের অনিশ্চয়তা ফসলের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।