গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের (জিডিটি) সর্বশেষ নিলামে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে দুগ্ধপণ্যের দাম। চীনে রেকর্ড মাত্রায় করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে দেশটিতে দুগ্ধপণ্যের চাহিদা তলানিতে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বৈশ্বিক চাহিদায়। এ কারণেই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে বাজারে।

প্রতি মাসেই দুবার জিডিটি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিউজিল্যান্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এ নিলামের আয়োজন করে ফনটেরা গ্রুপ। এবারের নিলামে প্রতি টন দুগ্ধপণ্যের গড় মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৪৯৩ ডলারে, যা আগের নিলামের তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কম।

এবার নিলামে সর্বোচ্চ ৩১ হাজার ৮৭৭ টন দুগ্ধপণ্য সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিক্রি হয়েছে ২৮ হাজার ৭২৪ টন। নিলামে অংশ নিয়েছেন ১৪৯ জন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে জয়ী হয়েছেন ১১৭ জন।

জিডিটিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পণ্য ননিযুক্ত গুঁড়োদুধ (ডব্লিউএমপি)। খামারিরা সরাসরি মুনাফা অর্জন করেন এ পণ্যের মাধ্যমে। নিলামে পণ্যটির দাম আগের তুলনায় ৪ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের গড় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৪৬ ডলারে।

অন্যদিকে ননিবিহীন গুঁড়ো দুধের (এসএমপি) দাম আগের নিলামের তুলনায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের গড় মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৬৫ ডলারে। এছাড়া অ্যানহাইড্রাস মিল্ক ফ্যাটের দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৫ হাজার ৬৭৫  ডলারে, মাখনের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৬০২ ডলারে এবং চেডার পনিরের দাম দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।