সীমান্ত ব্যাংক পিএলসির দশম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে বৃহস্পতিবার এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। সভায় ২০২৫ সালের ব্যাংকিং কার্যক্রমের পরিচালন মুনাফা, মোট সম্পদ ও আমানত প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক তথ্য শেয়ারহোল্ডারদের সামনে তুলে ধরা হয়। এ সময় পরিচালকদের প্রতিবেদন, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ও নিরীক্ষকের প্রতিবেদন অনুমোদিত হয়। এছাড়া নিরীক্ষক নিয়োগ ও পরিচালকদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়। সীমান্ত ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী তার বক্তব্যে বিজিবি সদস্যদের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য সীমান্ত ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালে ব্যাংকের পরিচালন মুনাফায় ৬ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময়ে ডিপোজিটের স্থিতি ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ২৭৬ কোটি ১২ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এছাড়া সীমান্ত ব্যাংকের মূলধন পর্যাপ্ততা ২৫ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, যা রেগুলেটরি লিমিট ১২ দশমিক ৫ শতাংশের চেয়ে অনেক বেশি। পাশাপাশি ‘ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো’ ও ‘এজেন্ট ব্যাংকিং’ চালুর উদ্যোগের কথা জানান। এদিকে ব্যাংকের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আর্থিক পরিস্থিতি সামগ্রিক বিশ্লেষণ করে ২০২৮ সালের মধ্যে আইপিওর কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।’
সভায় সীমান্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল আজীম জানান, ২০১৬ সালে ৪০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে ব্যাংকটি যাত্রা করে; বর্তমানে তা ৫২৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘সীমান্ত ব্যাংক তার লক্ষ্যে অবিচল থাকবে; পরিচালনা পর্ষদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দক্ষতার মিশ্রণে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।’ এছাড়া পরিচালনা পর্ষদ, শেয়ারহোল্ডার, গ্রাহক, বিজিবি ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে তাদের আস্থা এবং সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ব্যাংকটির শীর্ষ নির্বাহী।










