নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে চিনির দাম কমেছে। এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে চিনির দাম কমেছে ৩ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে চিনির চাহিদা কম থাকা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় চিনির দাম কমতির দিকে। তবে দাম কমলেও বেচাকেনা বাড়েনি। 

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে চিনি ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক মাস আগেও ১২৩-১২৪ টাকায় বেচাকেনা হয়েছে। সে হিসাবে মাসের ব্যবধানে দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকা। এছাড়া এক মাস আগে প্রতি বস্তা (৫০ কেজির বস্তা) চিনির দাম ছিল ৬ হাজার ১৫০ টাকা। বর্তমানে ১৫০ টাকা কমে তা ৬ হাজার টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। 

নিতাইগঞ্জের চিনি ব্যবসায়ী দিলীপ সাহা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে নিতাইগঞ্জসহ সারা দেশের বাজারে বেচাকেনা স্থবির হয়ে আছে। মফস্বলের খুব বেশি ব্যবসায়ী নারায়ণগঞ্জে আসছেন না। তাছাড়া রাস্তাঘাটে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকার কারণে চিনিকলে উৎপাদিত চিনিও সরবরাহ করা যায়নি। ফলে কারখানাগুলোয়ও চিনি মজুদ বেড়েছে। সব মিলিয়ে চিনির দাম নিম্নমুখী। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাইকারি বাজারে কমতির দিকে থাকলেও খুচরা বাজারে চিনির দাম এখনো বেশি। খুচরা দোকানগুলোয় এখনো ১৪০-১৪৫ টাকা কেজি দরে চিনি বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, পাইকারি বাজারে দাম কমলেও সাধারণ ক্রেতারা এর সুফল পাচ্ছে না। খুচরা বিক্রেতারা নানা অজুহাতে বেশি মুনাফা আদায় করছে।

নগরের মাসদাই বাজারের ক্রেতা রমজান হোসেন জানান, খুচরা বাজারের জন্য মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হলে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা করতে পারতেন না। এটি রোধে পাইকারি বাজার থেকে চিনি ক্রয়-বিক্রয়ের রসিদও খুচরা বাজারে টানানোর ব্যবস্থা করা উচিত। ভোক্তা অধিকারের মাধ্যমে দ্রুত বাজার মনিটরিং করে যৌক্তিক মুনাফা নির্ধারণের দাবিও জানান তিনি।