নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর কারণে অন্যান্য ধাতুর মতো নিকেলের দামেও বড় পতন দেখা দিয়েছিল। তবে ব্যবহারিক ধাতুটির বাজার পরিস্থিতি ধীরে হলেও বদলাচ্ছে। যদিও লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) সর্বশেষ দুই কার্যদিবসে নিকেলের দাম কমেছে। তবে মার্চের শেষ দিক কিংবা এপ্রিলের শুরুর সময়ের তুলনায় ব্যবহারিক ধাতুটি বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। খবর মেটাল বুলেটিন।

এলএমই প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী, ১৭ মার্চ ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তি প্রতি টন নিকেল ১১ হাজার ৮২৫ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এটাই গত এক মাসের মধ্যে নিকেলের সর্বোচ্চ দাম। মহামারী পরিস্থিতির কারণে ব্যবহারিক ধাতুটির দাম কমে ১৯ মার্চ টনপ্রতি ১১ হাজার ২২৫ ডলারে নেমে আসে। ২৩ মার্চ ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন নিকেল ১১ হাজার ৫৫ ডলারে বিক্রি হয়। এক মাসে এটাই নিকেলের সবচেয়ে কম দাম।

এর পর থেকে এলএমইতে নিকেলের দামে ধারাবাহিক উত্থান-পতন দেখা গেছে। তবে তা টনপ্রতি ১১ হাজার ৫৫ ডলারের নিচে নামেনি। এপ্রিলের প্রথম কার্যদিবসে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন নিকেল ১১ হাজার ২২০ ডলারে বিক্রি হয়েছে। ৯ এপ্রিল নাগাদ এলএমইতে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন নিকেলের দাম ১১ হাজার ৪৫৭ ডলারে উন্নীত হয়।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহজুড়ে দাম কিছুটা কম থাকলেও দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে নিকেলের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দেয়। এ ধারাবাহিকতায় ১৪ এপ্রিল ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন নিকেল ১১ হাজার ৭২৩ ডলারে বিক্রি হয়।

তবে এর পর নিকেলের দাম কিছুটা কমেছে। ১৬ এপ্রিল ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন নিকেলের দাম ১১ হাজার ৬৫৭ ডলারে নেমে এসেছে। তবে সাময়িক কমলেও মার্চের শেষ ভাগ কিংবা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ব্যবহারিক ধাতুটি। আগামী দিনগুলোয় নিকেলের দামে এ বাড়তি ভাব অব্যাহত থাকতে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।