২৫ জুন বেলা ৩টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ টাকা ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ টাকা ২৪ পয়সা।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকা ৫২ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এফএএস ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২১ টাকা ৩৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১২৫ টাকা ৫৫ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এফএএস ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৯ টাকা ৩৭ পয়সা, আগের বছরে লোকসান ছিল ৪৭ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকা ৪২ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এফএএস ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৭ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে লোকাসান ছিল ১৯ টাকা ৯৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৮৬ টাকা ১৪ পয়সায়।
লোকসানের কারণে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট। তবে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরে ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। তার আগের তিন হিসাব বছরে যথাক্রমে ১০, ৫ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এফএএস ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ২১০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৪৯ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ২ হাজার ১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৯০ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪। এর ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৮ দশমিক ৬৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭৮ দশমিক ১৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










