দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘‌নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তবে রোজাকে সামনে রেখে অধিকাংশ ক্রেতা বাজারে গিয়ে জিনিসপত্র একবারে কিনে নিচ্ছেন। এ সুযোগেই কিছু অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ী হয়তো বেশি দাম নিয়ে থাকতে পারেন। কিন্তু বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম নতুন করে বাড়েনি।’

গতকাল লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর পুলিশ ইমিগ্রেশন হয়ে সড়কপথে দেশে ফেরেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এ সময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌ভুটান সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। আমরা ভুটান থেকে পাথর, ফলসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করি। ভারতের করিডোর হয়ে আসা ভুটানের পণ্যবোঝাই গাড়িগুলো সরাসরি আসতে কিছু ঝামেলা ছিল। এখন এ চুক্তির ফলে ভুটান থেকে আসা পণ্যবাহী গাড়িগুলো ভারতে চেক করা হবে না। এতে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের হয়রানি কমবে। এ চুক্তির ফলে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেও বিস্তার ঘটবে।’

তিনি বলেন, ‘‌ভুটান-ভারত আমাদের সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহার করতে আগ্রহী। লালমনিরহাটের মোগলহাট স্থলবন্দরটি চালু করা যায় কিনা, এ নিয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

এর আগে সড়কপথে দেশে প্রবেশ করলে বুড়িমারী স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ছায়েদুজ্জামান সাঈদ তাকে স্বাগত জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালিব মুসা, তিস্তা ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বুড়িমারী কোম্পানি কমান্ডার একরামুল হক প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, বাণিজ্যমন্ত্রী পাঁচ দিনের সরকারি সফরে ভুটান ও ভারত সফরে যান। তিনি ২১ মার্চ লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট হয়ে সড়কপথে ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর একই দিন তিনি ভারত থেকে ভুটানের ফুয়েলছিলিং ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট হয়ে ভুটানে প্রবেশ করেন।