পিৎজার জন্মস্থান ইতালিতে টিকতে পারল না জনপ্রিয়
ফাস্টফুড ব্র্যান্ড ডমিনোস পিৎজা। বন্ধ হয়ে গেলে শেষ দোকানটিও। এর আগে নিজেদের দেউলিয়া
ঘোষণার জন্য আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি।
বিবিসি
জানায়, মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ডমিনোর স্থানীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ইপিৎজা স্পা।
২০১৫ সালে ইতালিতে চালু হয়ে ডমিনোস স্থানীয়
ঐতিহ্যবাহী রেস্টুরেন্টগুলোর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতিযোগিতায় পড়ে। বিশেষ করে করোনাকালে
এসব রেস্টুরেন্ট অনলাইনে অর্ডার নেওয়া শুরু করলে চাপ আরো বাড়ে।
গত এপ্রিলের শুরুতে করোনাভাইরাস বিধিনিষেধজনিত
প্রভাবে দেউলিয়া হওয়ার জন্য আবেদন করে ইপিৎজা। এ সম্পর্কিত নথিতে তারা স্থানীয় রেস্টুরেন্টগুলোর
ডেলিভারি অ্যাপ ব্যবহারের প্রসঙ্গটিও টেনে আনে। দেউলিয়া প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাওনাদারদের
কাছ থেকে ৯০ দিন সুরক্ষা পাওয়ায় সময় এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।
সাত বছর আগে ব্যাপক হোম ডেলিভারি সেবার লক্ষ্য
নিয়ে ইতালিতে প্রবেশ করে ডমিনোস। দেশটির সনাতনী পিৎজার সঙ্গে তফাত আনতে মেন্যুতে রাখে
বৈচিত্র। এর মধ্যে ছিল আনারসের মতো ইউএস-স্টাইলের টপিংসসহ বেশ কিছু নতুন রেসিপি।
২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি ইতালিতে সরাসরি ২৩টি
আউটলেট পরিচালনা করতো, সাব-ফ্র্যাঞ্চাইজি ছিল ৬টি। তুলনামূলকভাবে, ইউরোপে ডমিনোসের
সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে রয়েছে ১ হাজার ২০০ দোকান।
বিশ্বের বৃহত্তম পিৎজা চেইন ডমিনোস, ৯০টি
আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের দোকানের সংখ্যা ১৮ হাজার ৩০০টি। যার বেশির ভাগই ফ্র্যাঞ্চাইজির
মাধ্যমে চলে।
ফাস্টফুড জায়ান্টটির ইতালি ছেড়ে যাওয়াকে
সামাজিক মাধ্যমে উদযাপন করছেন অনেক ব্যবহারকারী। যেমন একজন লিখেছেন, ইতালিতে ডমিনোস
খোলা উত্তর মেরুতে বরফ বিক্রির চেষ্টার সঙ্গে তুলনীয়।
অবশ্য পুরো বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিবিসির
প্রশ্নের কোনো তাৎক্ষণিক উত্তর দেয়নি ডমিনোস পিৎজা বা ইপিৎজা।









