সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেয়ার পর বেনাপোল দিয়ে এ পর্যন্ত দেশে ৭২৭ টন পেঁয়াজ এসেছে। গতকাল বিকাল পর্যন্ত এসব পেঁয়াজ আসে। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব অফিসার শেখ ইনাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘৫ জুন সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়ার পর ওইদিন রাতে তিন ট্রাকে ৭৫ টন আমদানির মধ্য দিয়ে বেনাপোল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়।’
জানা যায়, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার্থে ১৫ মার্চ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ রাখা হয়েছিল। দেশে মে মাসের মাঝামাঝি থেকে পণ্যটির দাম বাড়তে থাকে। ৩০-৩৫ টাকার পেঁয়াজের দাম ওঠে ৯০-১০০ টাকা পর্যন্ত। এতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে।
অবশেষে বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। আমদানির খবরে কয়েকটি জেলায় পেঁয়াজের দাম কমলেও যশোরের বিভিন্ন স্থানে এখনো দেশী পেঁয়াজ ৭০-৮০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির জন্য কয়েকশ টন ইমপোর্ট পারমিট (আইপি) করেছেন আমদানিকারকরা। সেগুলোর মধ্যে অল্প অল্প করে পেঁয়াজ আসছে বেনাপোল দিয়ে। ভোমরা, হিলি ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি হয়।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, ‘প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর বেনাপোল দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। তবে আমদানির পরিমাণ কম। আমদানি করা পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত খালাস করতে পারেন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া আছে।’










