ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং ২০২৬-এ বাংলাদেশে টানা দ্বিতীয়বার প্রথম স্থান অর্জন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস, এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে আইইউবিএটির অবস্থান এশিয়ায় ১১৩তম এবং বিশ্বে ১৯৭তম।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে আজারবাইজান স্টেট অয়েল অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইউনিভার্সিটির আয়োজনে এক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে র্যাংকিংয়ের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। র্যাংকিংয়ের ১৭তম আসরে ১১০টি দেশের ২ হাজার ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ইউআই গ্রিনমেট্রিকের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আয়োজন।
ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়া ২০১০ সাল থেকে এই র্যাংকিং প্রকাশ করে আসছে। বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সবুজ ক্যাম্পাস ও টেকসই উন্নয়নের নীতি কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা তুলে ধরাই এ র্যাংকিংয়ের মূল লক্ষ্য।
এবারের মূল্যায়নে সাতটি প্রধান ক্ষেত্র বিবেচনা করা হয়েছে। এগুলো হলো পরিবেশ ও অবকাঠামো, জ্বালানি ও জলবায়ু পরিবর্তন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, শিক্ষা ও গবেষণা এবং শাসনব্যবস্থা ও ডিজিটালাইজেশন।
বাংলাদেশের র্যাংকিংয়ে আইইউবিএটির পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। তৃতীয় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, পঞ্চম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, ষষ্ঠ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ এবং সপ্তম স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
এ অর্জন প্রসঙ্গে আইইউবিএটির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস বলেন, এ স্বীকৃতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি সামনে এগিয়ে যেতে চায়।
১৯৯১ সালে যাত্রা শুরু করা আইইউবিএটি বাংলাদেশের প্রথম দিককার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও আইবিএর সাবেক পরিচালক শিক্ষাবিদ ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা।
পরিবেশ উন্নয়নের অঙ্গীকার থেকে ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান ২০০৮ সালে আইইউবিএটিকে ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর থেকে সবুজায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই ক্যাম্পাস গড়ে তোলার বিভিন্ন উদ্যোগ চালিয়ে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। সেই ধারাবাহিকতারই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে এবারের র্যাংকিংয়ে এ অর্জন এসেছে।
—বিজ্ঞপ্তি










