তাইওয়ানের সঙ্গে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য আলোচনা শুরুর ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইপে সফরের সপ্তাহ দুই-এক পরই এ ঘোষণা এলো। খবর বিবিসি।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি জানাচ্ছেন, আগামী শরতের ‍প্রথম দিকে আলোচনা শুরুর আশা করছেন তারা। দ্বিপক্ষীয় এই আলোচনায় বাণিজ্য সুবিধা, ডিজিটাল বাণিজ্য ও দুনীর্তিবিরোধী বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কে উত্তেজনা বেড়েই চলছে। এর আগে গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ানের উদ্যোগ টুয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি ট্রেড প্রকাশ্যে আসে। এখন দুই পক্ষই বলছে, তারা আলোচনার বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছে।

এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা একটি উচ্চাভিলাষী কর্মপরিকল্পনা অনুসরণ করবে। যা একুশ শতকের একটি ন্যায্য, আরো সমৃদ্ধ ও স্থিতিস্থাপক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

২০২০ সালে দেশ দুটির মধ্যে ১০ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য হয়।

আগস্টের শুরুতে পেলোসির সফরের প্রতিক্রিয়া তাইওয়ান ঘিরে বৃহৎ সামরিক মহড়া চালায় চীন। এর পরই বাণিজ্য আলোচনার ঘোষণাটি এলো।

আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এক চীন নীতি’র অধীনে তাইওয়ানের বদলে চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তাইপের সঙ্গে তারা একটি আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক মেনে চলে। এর আওতায় স্বশাসিত অঞ্চলটিকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামও দিয়ে থাকে।

এর আগে চীনের প্রতিরোধে পরিকল্পিত এশিয়া কেন্দ্রিক বাণিজ্য পরিকল্পনা থেকে তাইওয়ানকে সরিয়ে রাখে যুক্তরাষ্ট্র। গত মে মাসে বিষয়টি জানা যায়। ধারণা করা হচ্ছিল, বেইজিংয়ের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াতে চায় না ওয়াশিংটন। কিন্তু কয়েকদিন পরই যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ান টুয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি ট্রেডের ঘোষণা দেয়।