বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৌলভীবাজার জেলার কুরমাঘাট এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ঢালাই জেলার কামালপুর সীমান্তে বর্ডারহাটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। গতকাল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগ আয়োজনে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্থানীয় সংসদ সদস্য (মৌলভীবাজার-৪) ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ। অন্যদিকে ত্রিপুরা রাজ্যের পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী, ত্রিপুরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান টিংকু রায় ।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তরাঞ্চলে রফতানি বাণিজ্যের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। বাণিজ্য সুবিধা বাড়ালে উভয় দেশ উপকৃত হবে। বাংলাদেশ সরকার ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য সবধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। ভারতের উত্তরাঞ্চলের রাজ্যের সঙ্গে কম খরচে বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বেশ ভালো। ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ বাণিজ্যেক অংশীদার। গত ১০ বছরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য অনেক বেড়েছে। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরো বাড়বে। আমার বিশ্বাস চলমান বর্ডারহাটগুলো থেকে উভয় দেশের সীমান্ত এলাকার মানুষ নিজেদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে করে উভয় দেশের মানুষের আন্তরিকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।










