পাবনা জেলার নয়টি উপজেলায় ১৩ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। আবাদের মাধ্যমে ১ লাখ ২৩ হাজার ১৪০ টন রসুন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রসুন আবাদে খরচ কম হওয়ায় কৃষক লাভবান হন। পাবনা জেলায় প্রথম কোনো খরচ ছাড়াই রসুন আবাদ শুরু হয়। ফলনও ভালো হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে জেলার চাষীদের মধ্যে রসুন চাষে আগ্রহ বাড়তে থাকে। সে থেকে প্রায় বিনা খরচে পাবনায় রসুনের আবাদ হয়।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পাবনা জেলার সদর উপজেলায় ১ হাজার ৭২৫ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ থেকে ১৬ হাজার ১২৯ টন রসুন উৎপন্ন হবে। আটঘরিয়া উপজেলার ১ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ থেকে ১৫ হাজার ১৪৭ টন রসুন উৎপন্ন হবে। ঈশ্বরদী উপজেলায় ২২৫ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখান থেকে ২ হাজার ১০ টন রসুন উৎপন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে।
পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো সাইফুল আলম জানান, চলতি মৌসুমে রসুন আবাদের অনুকূল আবহাওয়া থাকায় কৃষকরা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে।এ ফসল উৎপাদনে কৃষকরা লাভবান হন। বর্তমানে খুচরা বাজারে ৮০-১০০ টাকা দরে রসুন বিক্রি হচ্ছে।










