নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর ধাক্কা লেগেছে ব্যবহারিক ধাতুর বাজারে। চাহিদা কমে অন্যান্য ধাতুর মতো তামার দামও আগের তুলনায় কমেছিল। তবে ধীরে হলেও ব্যবহারিক ধাতুটির দাম বাড়তে শুরু করেছে। লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) সর্বশেষ কার্যদিবসে প্রতি টন তামার দাম ৫ হাজার ডলারে উন্নীত হয়েছে। খবর মেটাল বুলেটিন। 

এলএমই প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী, ৯ মার্চ ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা ৫ হাজার ৪৮২ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এরপর কিছুদিন ব্যবহারিক ধাতুটির দামে ধারাবাহিক উত্থান-পতন বজায় ছিল। তবে মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে তামার দাম ক্রমাগত কমতে শুরু করে। 

১৬ মার্চ এলএমইতে ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা ৫ হাজার ২১০ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এরপর ১৮ মার্চ ব্যবহারিক ধাতুটির টন ৫ হাজার ডলারের নিচে নেমে আসে। ওই দিন ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা বিক্রি হয় ৪ হাজার ৮৫৯ ডলার ৫০ সেন্টে। 

এরপর আর তামার দাম টনপ্রতি ৫ হাজার ডলারের ওপর ওঠেনি। বরং ২৩ মার্চ ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামার দাম ৪ হাজার ৬১৭ ডলার ৫০ সেন্টে নেমে যায়, যা গত এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। চাহিদা প্রবৃদ্ধি শ্লথ হয়ে আসায় মার্চ মাসের শেষ সময়টায় তামার দাম তুলনামূলক স্থির ছিল। 

এপ্রিলের শুরু থেকে তামার দাম ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। মাসের প্রথম কার্যদিবসে এলএমইতে ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা বিক্রি হয় ৪ হাজার ৭৭২ ডলারে। এরপর ব্যবহারিক ধাতুটির দাম ক্রমাগত বেড়েছে। এ ধারাবাহিকতায় ৬ এপ্রিল ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা ৪ হাজার ৮৬৭ ডলারে বিক্রি হয়। আর পরদিন ব্যবহারিক ধাতুটি বিক্রি হয় টনপ্রতি ৫ হাজার ৬৭ ডলার ৫০ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় টনে ২০০ ডলারের সামান্য বেশি।