বৈশ্বিক আমদানি-রফতানি কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির করে দিয়েছে নভেল করোনাভাইরাসের মহামারী। এর মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৭৪৫ টন অপরিশোধিত চিনি রফতানির উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। ট্যারিফ-রেট কোটার (টিআরকিউ) আওতায় নিম্ন শুল্কে এ চিনি রফতানির অনুমতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি)। খবর বিজনেস লাইন ও রয়টার্স।
টিআরকিউয়ের আওতায় মূলত অত্যন্ত কম শুল্কে পণ্য রফতানি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে টিআরকিউয়ের আওতায় ভারতীয় রফতানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত ৭৪৫ টন অপরিশোধিত চিনি রফতানি করতে পারবেন। কোটা পূরণ হয়ে গেলে বাড়তি চিনি রফতানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে।
চলতি অর্থবছরে টিআইরকিউ কোটার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৯ হাজার ১৬৯ টন অপরিশোধিত চিনি রফতানির সীমা নির্ধারণ করে রেখেছিল ভারত সরকার। গত ৩ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনে এ ঘোষণা দেয় ভারতের ডিজিএফটি। এখন বিশেষ বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত ৭৪৫ টন অপরিশোধিত চিনি পাঠাচ্ছে ভারত।
ভারতীয় রফতানিকারকরা অগ্রাধিকারমূলক কোটা সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোয় প্রতি বছর ১০ হাজার টন চিনি রফতানি করতে পারেন।
প্রতি বছর ১ অক্টোবর ভারতে চিনির নতুন উৎপাদন মৌসুম শুরু হয়। চলতি মৌসুমের শুরু থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত দেশটিতে ২ কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশন (আইএসএমএ)। আগের মৌসুমের একই সময়ে ভারতে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৬০ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছিল।








