সভায় কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। সেই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে। ঢাকা স্টক ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিক (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) শেষে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবন বীমা তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৩৩ কোটি ১০ লাখ টাকায়, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৩৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির জীবন বীমা তহবিল বেড়েছে ৯৬ কোটি ২৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।
সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে প্রগতি লাইফ। ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। ২০২১ হিসাব বছরে মোট ১৭ শতাংশ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। এর মধ্যে ১১ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০২০ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ। ২০১৯ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।
প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ২৬ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ২৫ লাখ ৪৫ হাজার ২৮৮। এর ৪০ দশমিক ৬২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ২৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪২ দশমিক ১৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










