যুক্তরাষ্ট্রে ২০২২-২৫ সালের মধ্যে অধিকাংশ পরিবারের আয় ও সম্পদ বেড়েছে। তবে এ উন্নতির সুফল সবার মধ্যে সমানভাবে বণ্টন হয়নি। তুলনামূলক কম আয়ের পরিবারগুলোর সম্পদ বাড়লেও তাদের আর্থিক অবস্থায় তেমন ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। বরং সবচেয়ে কম সঞ্চয় ও সম্পদ থাকা পরিবারগুলোর নিট অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অন্যদিকে আগে থেকেই বিত্তশালী পরিবারগুলো হয়েছে আরো সচ্ছল। একই সময় ঋণের কিস্তি পরিশোধেও হিমশিম খাওয়া পরিবারের সংখ্যাও বেড়েছে। খবর রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সর্বশেষ সার্ভে অব কনজিউমার ফাইন্যান্সেস প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতি তিন বছর পরপর পরিচালিত এ জরিপে দেশটির প্রায় ৪ হাজার ৩০০ পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। ২০২২-২৫ সালের পরিস্থিতি নিয়ে করা জরিপটির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে গত বছরের এপ্রিল ও মে মাসে।
ফেডের প্রতিবেদনে বলা হয়, কভিড-১৯ মহামারীর পর অর্থনীতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করলে অধিকাংশ পরিবারের আয় ও সম্পদ বেড়েছে। তবে এ সময় মহামারীর বছরগুলোর তুলনায় সম্পদ বাড়ার গতি ছিল অনেক ধীর।
সম্পদ বাড়ার গতি কমে আসার পাশাপাশি কিছু পরিবারের আর্থিক চাপ বেড়েছে। ফেডের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাঝারি পর্যায়ে থাকা ও মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকায় আয় ও নিট সম্পদ কিছুটা বাড়লেও অধিকাংশ সাধারণ পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে।
জরিপে দেখা যায়, সবচেয়ে কম সম্পদের মালিক এক-চতুর্থাংশ পরিবারের নিট সম্পদ ২০২২ সালের ৩ হাজার ৮০০ ডলার থেকে কমে ২০২৫ সালে ১ হাজার ৭০০ ডলারে নেমেছে। অর্থাৎ তিন বছরে নিট সম্পদ কমেছে ৫৫ শতাংশের বেশি। আয় বাড়লেও এসব পরিবারের সম্পদ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।










