নারায়ণগঞ্জের দিগুবাবুর বাজারে আলুর দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক দিন ধরে টানা বর্ষণের কারণে মোকাম থেকে আলু বাজারে আসছে না। ফলে বাজারে চাহিদার তুলনায় কমতির দিকে আলুর জোগান। এতে ঊর্ধ্বমুখী ভোগ্যপণ্যটির দাম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের দিগুবাবুর বাজারে পাইকারিতে আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা ও পাল্লাপ্রতি (পাঁচ কেজি) ২৫ টাকা বেড়েছে। গতকাল পাইকারিতে পাল্লাপ্রতি আলু ২৫০ টাকায় এবং কেজিপ্রতি ৫০ টাকায় বেচাকেনা হয়েছে। আর খুচরা বাজারে পণ্যটির মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০-৬৫ টাকায়।
দিগুবাবুর বাজারের আলু ব্যবসায়ী আব্দুল করিম মিয়া জানান, এক-দেড় মাস ধরে আলুর দাম ছিল কেজিতে ৪৫-৪৭ টাকা। কিন্তু কয়েকদিন ধরে টানা প্রবল বর্ষণে মোকাম থেকে আলু বাজারে আসছে না। যে কারণে সংকট দেখা দিয়েছে।
আরেক আলু ব্যবসায়ী সাব্বির আলম জানান, নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ীরা মূলত ঢাকার শ্যামবাজার থেকে আলু এনে নারায়ণগঞ্জের বাজারগুলোয় সরবরাহ করে। দিগুবাবুর বাজারের বেশির ভাগ পাইকারি দোকান থেকে মফস্বলের ক্রেতারা আলু কিনে নিয়ে যায়। কয়েকদিন ধরে শ্যামবাজার থেকে বেশি দামে আলু কিনতে হচ্ছে। তার সঙ্গে পরিবহন খরচ, দোকান ভাড়া, কর্মচারীর খরচ ও বিদ্যুৎ বিলসহ সবকিছু মিলিয়ে খুচরা দোকানদারদের পণ্যের দাম নির্ধারণ করতে হয়। এ কারণে খুচরায়ও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পণ্যটির দাম।
নগরীর বাবুরাইল বউবাজার খুচরা দোকানদার আব্দুল করিম মিয়া জানান, বাজারে এক বস্তা আলু বিক্রি করতে চার-পাঁচদিন সময় লাগে। এক বস্তা আলু পাইকারি বাজার থেকে খুচরা দোকানে বিক্রি করার সময় প্রতি বস্তায় দুই থেকে আড়াই কেজি আলুর ঘাটতি হয়ে যায়। ফলে এ ঘাটতি সমন্বয় করে আমাদের দাম নির্ধারণ করতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে একটু দাম বেশি।










