সেবা ও আবাসন খাতে তালিকাভুক্ত শমরিতা হসপিটাল লিমিটেডের ২০২৬-২৭ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের হিসাব বছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৯ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শমরিতা হসপিটালের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৭৪ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শমরিতা হসপিটালের ইপিএস হয়েছে ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৩৯ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে শমরিতা হসপিটালের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ২৭ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শমরিতা হসপিটোলের ইপিএস হয়েছে ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৩৯ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে শমরিতা হসপিটোলের ইপিএস হয়েছে ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৩২ পয়সায়।

শমরিতা হসপিটাল লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

১৯৯৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শমরিতা হসপিটালের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২১ কোটি ৮০ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ১৮ লাখ ৮৯৭। এর ৪৪ দশমিক ৬০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৯ দশমিক শূন্য ২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।