আজ থেকে পূর্ণোদ্যমে চালু হচ্ছে সাভার ও আশুলিয়ায় শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত ১ হাজার ৮০০ কারখানা। এসব প্রতিষ্ঠানের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে টাস্কফোর্স গঠন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে যেকোনো পরিস্থিতিতে কুইক রি-অ্যাকশন ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।
গতকাল আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় উইন্ডি গ্রুপের মালিকানাধীন হলিউড গার্মেন্টসহ আশপাশের কারখানা পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানান সাভার সেনানিবাসের কর্নেল আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী অলরেডি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় টহল শুরু করেছে। এজন্য টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। যার অধীনে সেক্টর ভাগ করে নেয়া হয়েছে। সেই সেক্টর অনুযায়ী জোনভিত্তিক আমরা টহল পরিচালনা করছি। গতকাল থেকেই আমরা প্যাট্রোল শুরু করেছি। আগামীকাল (আজ) থেকে ইনশা আল্লাহ সব কারখানা খুলে যাবে। আমরা সেই পরিবেশ সৃষ্টি করে দিচ্ছি। যাতে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘টাস্কফোর্সের সঙ্গে অন্যান্য বাহিনী সমন্বয় করে কাজ করবে। কিছুদিনের মধ্যেই শিল্প পুলিশ অ্যাক্টিভেট হবে। আমরা বিশ্বাস করি, সবাই একসঙ্গে কাজ করলে দ্রুত এ অরাজকতা রোধ করা যাবে।’
বাহ্যিক নিরাপত্তার পাশাপাশি বড় ধরনের অঘটন সংঘটিত হলে সেনাবাহিনীর কুইক রি-অ্যাকশন ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে বলেও জানান এ সেনা কর্মকর্তা।
এদিকে স্প্যারো গ্রুপ ও বিজিএমইএর পরিচালক শোভন ইসলাম বলেন, ‘শিল্প-কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সেল গঠন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সেনাসদস্যদের ব্যাপক টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে শ্রমিকরা বুঝতে পারবেন তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কাজেই সবাইকে অনুরোধ করব, নির্ভয়ে খুশি মনে কাজে আসুন।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের এক্সপোর্ট যাতে কোনোভাবেই ডিলে না হয়। বায়ারের কাছে যাতে বলতে না হয়, আমরা এক্সটেনশন চাই। আমাদের কাজের ব্যাঘাত ঘটেছে, কোনোভাবেই সেটা বলতে চাই না। ব্র্যান্ড বাংলাদেশ একটা বড় ইমেজ। এটা ধরে রাখতে আমাদের আর্মি ভাইয়েরা খুব দ্রুত সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে। ইনশা আল্লাহ আগামীকালের (আজ) মধ্যে আমাদের সব ফ্যাক্টরি চালু হয়ে যাবে।’










