২০টি সুপারসনিক উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে আমেরিকান এয়ারলাইনস। এপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সুপারসনিক উড়োজাহাজগুলো তৈরি করেছে বুম সুপারসনিক। তবে এ বিষয়ে কোনো ধরনের আর্থিক বিবরণ দিতে অসম্মতি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।
গত বছর বুম সুপারসনিক থেকে ১৫টি উড়োজাহাজ কিনেছিল ইউনাইটেড এয়ারলাইনস। এবার বুম সুপারসনিক থেকে ২০টি সুপারসনিক জেট কিনছে প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকান এয়ারলাইনস। পাশাপাশি আরো ৪০টি বুম ওভারচার উড়োজাহাজ কেনার বিকল্পও জানিয়েছে মার্কিন উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থাটি।
সর্বশেষ সুপারসনিক যাত্রীবাহী ব্রিটিশ-ফরাসি উড়োজাহাজ কনকর্ডে ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছিল আজ থেকে ২০ বছর আগে। তবে অন্যান্য সুপাসনিক থেকে ব্যতিক্রম হবে বুমের উড়োজাহাজটি বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও ব্লেক স্কল। ২০২৯ সালে এটি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে। নিউইয়র্ক থেকে লন্ডনে সাড়ে ৩ ঘণ্টার ফ্লাইটের টিকিট মূল্য হবে ৪-৫ হাজার ডলার।
বুম জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির উড়োজাহাজ শব্দের থেকে ১ দশমিক ৭ গুণ বেশি গতিতে উড়বে। অর্থাৎ উড়োজাহাজটির গতি হবে ঘণ্টাপ্রতি ১ হাজার ৩০০ মাইল। এতে যাত্রী সংখ্যা হবে ৬৫-৮০ জন।
বুম জানিয়েছে, উড়োজাহাজটি টেকসই এভিয়েশন জ্বালানিচালিত হবে। ডেনভারভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি উত্তর ক্যারোলাইনায় ওভারচার তৈরি করবে। এ প্রকল্পের জন্য ব্যয় হবে ৬০০-৮০০ কোটি ডলার। গত মাসে উড়োজাহাজটির ডিজাইন সহজ ও কম ব্যয়বহুল করার ঘোষণা দেয়া হয়। সব থেকে বড় পরিবর্তনটি আসে ইঞ্জিনে। তিনটি ইঞ্জিনের পরিবর্তে উড়োজাহাজটিতে চারটি ইঞ্জিন থাকবে। এদিকে চার ইঞ্জিনের উড়োজাহাজের বাজার ক্রমে সংকুচিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে বোয়িং ৭৪৭ উড়োজাহাজটিতে চারটি ইঞ্জিন থাকে। বর্তমানে উড়োজাহাজটি কার্গো পরিবহনের কাজে ব্যবহূত হয়। এছাড়া এয়ারবাস এ৩৮০ উড়োজাহাজেও চারটি ইঞ্জিন ছিল। তবে গত বছর উড়োজাহাজটির উৎপাদন স্থগিত করা হয়। অথচ বর্তমানে অধিকাংশ যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ দুটি ইঞ্জিনযুক্ত।








