বিদেশী কোম্পানিকে বেঁধে দেয়া নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হচ্ছে ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার সার্বিক কাজ। এরই মধ্যেই ৯৫-৯৮ ভাগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। চলতি মাসেই পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাবে এশিয়ার সর্ববৃহৎ পরিবেশবান্ধব সার কারখানাটি। শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপি গতকাল কারখানা পরিদর্শন ও কমিশনিং কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। 

এ সময় তিনি বলেন, ‘গ্যাস সংকটের কথা বিবেচনায় যমুনা সার কারখানার বিকল্প বের করে এ কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাসসহ সার্বিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা হয়েছে। 

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরির প্রকল্প পরিচালক রাজিউর রহমান মল্লিকের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, নরসিংদী-২ পলাশ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খানা দিলীপ, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, বিসিআইসির চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানসহ প্রকল্পের কর্মকর্তা ও ইঞ্জিনিয়াররা। 

উল্লেখ্য, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সুলভমূল্যে কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দিতে ২০১৮ সালে এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করে শিল্প মন্ত্রণালয়। এতে বছরে ৯ লাখ ২৪ হাজার টন ইউরিয়া সার উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।