দেশে দেশে অর্থনৈতিক মন্দা চরম আকার ধারণ করলেও এয়ারবিএনবি বলছে, ভ্রমণের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় তাদের ব্যবসা ফের চাঙ্গা হয়ে উঠছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, এয়ারবিএনবির অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে গত এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বুকিংয়ের পরিমাণ ছিল ১০ কোটি ৩৭ লাখ।

প্রধানত, কাজের জন্য দূরবর্তী কোনো স্থানে দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানের পরিমাণ বাড়ায় এয়ারবিএনবির বুকিংয়ে এ রেকর্ড সৃষ্টি হলো। এখন গ্রীষ্মকাল হওয়ায় এ ধরনের ভ্রমণ বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মন্দার সময়ে প্রতিষ্ঠানটির জন্ম মন্তব্য করে মন্দা অবস্থা প্রতিষ্ঠানটির জন্য পোয়াবারো বলে মনে করছেন এর নির্বাহী প্রধান। গত বছরের এপ্রিল-জুনের তুলনায় বুকিংয়ের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে, যা আবার মহামারী-পূর্ববর্তী ২০১৯-এর তুলনায় ২৪ শতাংশ বেশি। এতে প্রতিষ্ঠানটির আয়ও গত বছরের তুলনায় ৫৮ শতাংশ বেড়ে ২১০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এখন যারা বুকিং করছে তারা এক সপ্তাহ বা ততোধিক সময় অবস্থানের জন্য বুকিং করছে। বর্তমানে উত্তর আমেরিকায় ভ্রমণ করার চাহিদা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ঊর্ধ্বগামী এবং ২০১৯ সালের তুলনায় এ বছর তা ৩৭ শতাংশ বেড়েছে।