অর্থনীতিক
নীতি
পরিসরে
বিনিময়
হারের
বিষয়টি
সামনে
এসেছে,
বিশেষ
করে
সাম্প্রতিক
এক
আলোচনার
পরিপ্রেক্ষিতে।
কিছুদিন
আগে
বণিক বার্তার আয়োজনে
দ্বিতীয়
অর্থনৈতিক
সম্মেলন
শেষ
হলো।
সেখানে
বাংলাদেশ
ব্যাংকের
বর্তমান
গভর্নর
ও
সাবেক
গভর্নররা
বক্তব্য
দিয়েছেন।
নিজেদের
বক্তব্যে
তারা
উপস্থাপন
করেছেন
কীভাবে
কেন্দ্রীয়
ব্যাংক
বাংলাদেশের
অর্থনীতির
হাল
ধরেছে
এবং
স্বাধীনতার
৫০
বছরের
যাত্রায়
অর্থনীতিকে
নতুন
উচ্চতায়
উন্নীতের
পথ
প্রসার
করেছে।
সুনির্দিষ্টভাবে
বলতে
গেলে,
সাবেক
গভর্নর
ড.
মোহাম্মদ
ফরাসউদ্দিন
তার
চমকপ্রদ
ভিডিওবার্তায়
বিনিময়
হারের
ইস্যুটি
উল্লেখ
করেছেন।
উদীয়মান
বৈশ্বিক
চ্যালেঞ্জ
ও
সুযোগের
আলোকে
এবং
অতিমারী-উত্তর
অর্থনৈতিক
পুনরুদ্ধারে
রফতানি
নৈপুণ্য
ধরে
রাখার
কৌশল
হিসেবে
তিনি
টাকার
কিছুটা
অবমূল্যায়নের
কথা
বলেছেন।
বাংলাদেশ
ব্যাংক
অবশ্য
এরই
মধ্যে
উদ্যোগ
নিয়েছে
এবং
গত
১০
জানুয়ারি
নিয়ন্ত্রক
সংস্থাটি
বিনিময়
হার
সামান্য
(১ দশমিক
৪১
শতাংশ)
অবমূল্যায়ন
করেছে।
সংবাদমাধ্যম
সূত্রে
জানা
যাচ্ছে,
সংস্থাটির
কৌশল
হলো
ধীরে
ধীরে
অবমূল্যায়ন
করা।
বলা
হচ্ছে,
মূল্যস্ফীতির
ভয়ই
আসলে
আমাদের
লক্ষণীয়
মাত্রায়
টাকার
অবমূল্যায়ন
প্রতিহত
করছে।
বিষয়টি
আরো
সহজেই
বোঝা
যাক।
নামিক
বিনিময়
হার
(যেমন ৮৬
টাকা
= ১ মার্কিন
ডলার)
হলো
বৈদেশিক
মুদ্রার
মূল্য।
এ
মূল্য
বৈদেশিক
মুদ্রার
চাহিদা
ও
জোগানের
পরিবর্তনের
সঙ্গে
ওঠানামা
করে।
বৈদেশিক
মুদ্রার
চাহিদা
পণ্য
ও
সেবার
আমদানি
চাহিদা
থেকে
উদ্ভূত।
সম্প্রতি
জোরালো
অর্থনৈতিক
পুনরুদ্ধার
প্রক্রিয়া
চলমান
থাকায়
আমদানি
চাহিদা
অস্বাভাবিকভাবে
বেড়েছে।
এটি
২০২১
সালের
৬০
বিলিয়ন
ডলার
থেকে
২০২২
সালে
রেকর্ড
৭৫
বিলিয়ন
ডলারে
উন্নীত
হতে
পারে।
বোধগম্য
কারণেই
এটি
বিনিময়
হারের
ওপর
প্রচুর
চাপ
সৃষ্টি
করছে,
যা
একটি
ভাসমান
বিনিময়
হার
ব্যবস্থায়
স্বয়ংক্রিয়ভাবে
অবচয়িত
হয়ে
থাকে।
তবে
আমরা
জানি,
আমাদের
ব্যবস্থা
হলো
‘ম্যানেজড
ফ্লোট’
এবং
সেজন্য
বিনিময়
হারের
তাত্পর্যজনক
অবনমন
ঠেকাতে
বাংলাদেশ
ব্যাংককে
রিভার্জ
থেকে
প্রায়
আড়াই
বিলিয়ন
ডলার
বাজারে
ছাড়তে
হয়েছে।
এতে
বাজারে
সৃষ্টি
হয়েছে
অস্থিতিশীলতা।
বাজারশক্তির
ভিত্তিতে
যদি
বিনিময়
হার
নির্ধারণের
সুযোগ
দেয়া
হতো,
তাহলে
অত্যধিক
রফতানি
পণ্যের
সরবরাহজনিত
আমদানি
ব্যয়ের
বৃদ্ধি
বিনিময়
হার
অবমূল্যায়ন
করত
এবং
সেটি
হতো
আমদানি
চাহিদা
কমিয়ে
ও
রিজার্ভে
যেকোনো
ধরনের
পতন
ঠেকিয়ে।
যেকোনো
ম্যানেজড
ফ্লোট
ব্যবস্থায়
আমদানিজনিত
মূল্যস্ফীতি
সৃষ্টির
ভয়ে
বিনিময়
হার
দ্রুত
অবচয়ের
ব্যাপারে
এক
ধরনের
অনীহা
বিরাজমান।
অন্যদিকে
এমনকি
রফতানির
পুনরুত্থানে
সরবরাহ
বাড়লেও
রফতানি
ঐতিহাসিকভাবে
বাজারে
আমদানির
চাহিদা
বাড়িয়ে
এসেছে।
তবে
রফতানিসৃষ্ট
বৈদেশিক
মুদ্রার
সরবরাহের
দিকে
রফতানির
আন্তঃপ্রবাহ
অবশ্যই
অন্তর্ভুক্ত
করতে
হবে।
পিআরআইয়ের
প্রাক্কলন
নির্দেশ
করে
যে,
বর্তমান
আর্থিক
বছরে
রফতানি
আয়
৪৬
বিলিয়ন
ডলার
ছাড়াতে
পারে
এবং
২২-২৩
বিলিয়ন
ডলারের
রেমিট্যান্স
আসতে
পারে।
এখানে
উল্লেখ্য
যে,
গত
বছর
রেকর্ড
৩৬
শতাংশ
উল্লম্ফনের
পর
চলতি
বছর
রেমিট্যান্স
কিছুটা
কমেছে।
যদিও
তা
২০১৯
অর্থবছরের
চেয়ে
২০
শতাংশ
বেশি
হবে
বলে
আশা
করা
যায়।
বৈদেশিক
সহায়তার
আন্তঃপ্রবাহে
বিনিময়
হারের
চাপ
আরো
কমতে
পারে।
সেক্ষেত্রে
বাজেট
সহায়তা
হিসেবে
বিশ্বব্যাংক
ও
অন্য
বহুপক্ষীয়
সংস্থার
নতুন
প্রতিশ্রুতিসহ
প্রায়
৫
বিলিয়ন
মার্কিন
ডলারের
সমপরিমাণ
(ঋণ সার্ভিসিং
বাদে)
বৈদেশিক
সহায়তা
আন্তঃপ্রবাহের
একটা
আশাবাদী
প্রাক্কলন/প্রত্যাশা
রয়েছে।
রফতানি,
রেমিট্যান্স
ও
সহায়তা
মিলে
৭৫
বিলিয়ন
ডলার
আসতে
পারে,
যা
প্রায়
৭৫
বিলিয়ন
ডলার
আমদানি
ব্যয়ের
সঙ্গে
সংগতিপূর্ণ।
লেনদেন
ভারসাম্য
(বিওপি) এখনো
সার্বিকভাবে
ভারসাম্যপূর্ণ
অবস্থায়
আছে
কিংবা
এতে
সামান্য
ঘাটতি
হতে
পারে।
স্বল্পমেয়াদে
(আনুষ্ঠানিক হারের
চেয়ে
বাড়তি
কার্ব
রেট
ইঙ্গিত
দেয়)
বিনিময়
হার
অবমূল্যায়নে
যে
কেউ
বিপুল
চাপ
দেখতে
পারে,
যতক্ষণ
প্রাক্কলন
অনুযায়ী
রফতানি
ও
সহায়তা
প্রবাহ
বাস্তবায়ন
না
হবে।
অর্থবছরের
শেষের
দিকে
বিভিন্ন
কারণে
আমদানিও
কমতে
পারে।
বিনিময়
হার
সমন্বয়হীন
অবস্থায়
রেখে
দেয়াটা
প্রকৃত
কার্যকর
বিনিময়
হারে
(রিয়ার) অতিমূল্যায়ন
ঘটাতে
পারে।
এটি
রফতানি
প্রতিযোগিতা
সক্ষমতা
অবমূল্যায়িত
করবে।
অর্থনীতিবিদরা
রফতানি
প্রতিযোগিতা
সক্ষমতার
নির্দেশক
হিসেবে
প্রকৃত
বিনিময়
হারের
ওপর
দৃষ্টি
দেন।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের
সর্বসাম্প্রতিক
প্রাক্কলিত
রিয়ার
(রিয়ার হলো
বাংলাদেশ
ও
প্রধান
বাণিজ্য
অংশীদারদের
মধ্যকার
মূল্যস্ফীতি
ব্যবধান-সমন্বিত
নামিক
বিনিময়
হার)
প্রবণতায়
মনে
হয়
নামিক
বিনিময়
হার
সামান্য
কমা
ছাড়া
(১ ডলার
৮৫
টাকার
মধ্যে
থেকেছে)
২০২০
অর্থবছর
নাগাদ
অতিমূল্যায়িত
থেকেছে।
নিকট
অতীতে
রিয়ার
প্রবণতা
আমাদের
রফতানিকারকদের
জন্য
সুখবর
হিসেবে
থাকেনি,
যেহেতু
রিয়ারের
অতিমূল্যায়ন
রফতানি
প্রতিযোগিতা
সক্ষমতা
কমায়
এবং
অনুৎসাহজনক
বিষয়
হিসেবে
কাজ
করে।
এমনকি
নামিক
বিনিময়
হারের
সামান্য
অবমূল্যায়নও
এ
প্রবণতা
বদলাতে
পারে
এবং
রফতানিকারকদের
কিছুটা
স্বস্তি
দিতে
পারে।
বিভিন্ন
নীতির
মাধ্যমে
রফতানি
প্রবৃদ্ধি
চাঙ্গা
করা
যেতে
পারে।
তার
মধ্যে
যথাযথ
বিনিময়
হার
ব্যবস্থাপনা
গুরুত্বপূর্ণ
একটি
উপায়।
নিম্ন
মূল্যের
বিনিময়
হার
এগিয়ে
নেয়া
ছাড়া
রিয়ার
অতিমূল্যায়নের
কোনো
ন্যায্যতা
নেই।
রফতানিকারকরা
নামিক
বিনিময়
হারের
তাত্পর্যজনকভাবে
অবমূল্যায়ন
(যেমন রফতানির
প্রতি
ডলারে
বেশি
টাকা
পাওয়া)
দেখতে
চায়
যাতে
রফতানি
দামে
স্থবিরতা
বা
আমদানীকৃত
কাঁচামালে
(ইনপুট) বেড়ে
চলা
ব্যয়
পুষিয়ে
নেয়া
সহজ
হয়।
তবে
মূল্যস্ফীতির
ভয়ে
বাংলাদেশ
ব্যাংক
বিনিময়
হার
খুব
বেশি
বেড়ে
যাওয়া
এড়ানোর
নীতি
গ্রহণ
করেছে।
রিজার্ভ
থেকে
আড়াই
বিলিয়ন
মার্কিন
ডলার
বাজারে
ছাড়া
কোনো
সমস্যা
নয়,
তবে
আমদানি
প্লাবনজনিত
চাপ
বাড়ায়
এ
কৌশল
খুব
একটা
যুক্তিযুক্ত
নয়।
তাহলে আর
কোনো সমাধান আছে কি?
একটা
উপায়
হতে
পারে
অবমূল্যায়নের
প্রভাব
পুষিয়ে
দেয়ার
নীতি
(কমপেনসেটেড ডেপ্রিসিয়েশন)।
নীতিনির্ধারকদের
বিবেচনা
করার
জন্য
এটি
একটা
অপশন
হতে
পারে।
এ
নীতিতে
নিম্নমুখী
শুল্ক
সমন্বয়ের
মাধ্যমে
বিনিময়
হার
অবমূল্যায়নের
বিষয়টি
মোকাবেলা
করা
যায়।
এ
ধরনের
পদক্ষেপে
কয়েকটি
বিষয়
নমনীয়
হতে
হবে।
ক.
সব
রফতানিকারক
প্রণোদনা
পাবেন।
খ.
আমদানি
বিকল্প
পণ্য
উৎপাদনকারীদের
জন্য
সুরক্ষা
নিশ্চিত
করা।
গ.
দাম
মাত্রায়
নিরপেক্ষ
প্রভাব
রাখা
এবং
ঘ.
রাজস্ব
নিরপেক্ষ
হওয়া।
দেখা
যাক,
সেগুলো
কীভাবে
কাজ
করে।
মূলনীতির
জায়গা
বিনিময়
হারের
অবমূল্যায়ন
(ধরা যাক,
ডলারপ্রতি
৮৬
থেকে
৯০
টাকায়
উন্নীত
করা)
সব
ধরনের
রফতানিতে
৫
শতাংশ
ভর্তুকি
দেয়ার
সমান।
একইভাবে
শুল্ক
৫
শতাংশ
বৃদ্ধি
আমদানি
বিকল্প
পণ্যের
ওপর
(কারণ আমদানি
মূল্যে
৫
শতাংশ
বৃদ্ধি
উৎপাদন
ও
উপকরণে
সব
ধরনের
শুল্ক
৫
শতাংশ
বাড়ানোর
মতো)
৫
শতাংশ
কার্যকর
সুরক্ষা
প্রদানের
সমতুল্য।
আমদানিতে
টাকার
মান
৫
শতাংশ
বাড়ানো
হলে
সেটি
বাড়তি
রাজস্ব
জোগাবে।
তবে
এটিও
আমদানি
ও
আমদানি
বিকল্প
পণ্যের
দাম
৫
শতাংশ
বাড়াবে,
যা
মুদ্রা
অবমূল্যায়ন
ঘটিয়ে
মূল্যস্ফীতিতে
শক্তি
জোগাবে।
এখানেই
পুষিয়ে
দেয়ার
মূলনীতি
কাজ
করে।
তারপর
যদি
শুল্ক
৫
শতাংশ
কমানো
হয়
তাহলে
মুদ্রা
অবমূল্যায়নের
প্রভাব
হবে
নিরপেক্ষ।
নিট
ফল
সব
রফতানিতে
৫
শতাংশ
অভিন্ন
(অবৈষম্যমূলক) প্রণোদনা
(এভাবে কিছু
রফতানিবিরোধী
পক্ষপাত
দূর
করা)
হলেও
অন্য
সব
প্রভাব
নিরপেক্ষ
হবে।
কার্যকর
সুরক্ষা
ও
রাজস্ব
অপরিবর্তনীয়
থাকবে।
এবার
পদক্ষেপগুলো
একটু
সারসংক্ষেপ
করা
যাক।
এক.
৫
শতাংশ
অবমূল্যায়ন
৫
শতাংশ
রফতানি
ভর্তুকির
সমান
(রাষ্ট্রীয় কোষাগার
থেকে
আসছে
না)।
দুই.
৫
শতাংশ
অবমূল্যায়ন
৫
শতাংশ
আমদানি
মূল্যবৃদ্ধি
সৃষ্ট
৫
শতাংশ
শুল্ক
বাড়ানোর
মতো।
তিন.
বিদ্যমান
শুল্কহার
৫
শতাংশ
কমালে
সেটি
বিরূপ
প্রভাব
কমিয়ে
আনবে
এবং
চার.
অবমূল্যায়নের
কারণে
রফতানিতে
৫
শতাংশ
ভর্তুকি
থেকে
যাবে,
যা
রফতানিকে
আরো
চাঙ্গা
করবে।
বাংলাদেশের
প্রেক্ষাপটে
পুষিয়ে
দেয়ার
অবমূল্যায়ন
মূলনীতি
(কমপেনসেটেড ডেপ্রিসিয়েশন)
ব্যাখ্যা
করার
সুবিধার্থে
এখানে
একটা
আনুমানিক
৫
শতাংশ
অবমূল্যায়নের
কথা
বলা
হয়েছে।
প্রকৃত
প্রযোজ্য
হারটি
নির্ধারণ
করতে
হবে
রফতানি,
আমদানি
ও
রাজস্বগত
প্রভাব
পুঙ্খাপুঙ্খভাবে
খতিয়ে
দেখার
পর,
পিআরআইয়ের
গবেষণায়
যা
কিছুটা
করা
হয়েছে।
অষ্টম
পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনা
অনুযায়ী
শিল্প
ও
জিডিপি
প্রবৃদ্ধি
লক্ষ্যমাত্রা
অর্জন
করতে
হলে
এবং
অতিমারী-উত্তর
পুনরুদ্ধার
টেকসই
করতে
হলে
অধিকতর
ভালো
রফতানি
নৈপুণ্যই
হলো
চূড়ান্ত
লক্ষ্য।
রফতানিতে
নগদ
সহায়তা
যেখানে
বাজেটারি
চাপ
ও
ডব্লিউটিও
নীতিমালা
লঙ্ঘনের
ঝুঁকি
সৃষ্টি
করতে
পারে,
সেখানে
কোনো
ভাসমান
বিনিময়
হার
ব্যবস্থার
অধীনে
যেকোনো
অবমূল্যায়ন
হবে
ডব্লিউটিও
নীতিমালার
সঙ্গে
সংগতিপূর্ণ
বাণিজ্য
পদক্ষেপ।
এটি
যেকোনো
অর্থনীতিতে
রফতানিকে
চাঙ্গা
করতে
পারে,
বিশেষ
করে
যেসব
দেশের
রফতানিকারক
বিশ্ববাজারে
দাম
নির্ণয়
করতে
অক্ষম।
তাত্ত্বিকভাবে
বলতে
গেলে,
যদি
প্রতিযোগিতামূলকভাবে
কাজ
করতে
পারে
তাহলে
সেটি
ওই
দেশের
রফতানির
জন্য
সীমাহীন
বাজার
সৃষ্টিতে
সহায়ক
হবে।
বাস্তবায়ন কেমন
হতে পারে
শুল্কে
প্রণোদনাকৃত
হ্রাসের
(কমপেনসেটেড রিডাকশন)
ক্ষেত্রে
সাধারণ
অর্থে
অভিন্নভাবে
সব
শুল্ক
থেকে
৫
শতাংশ
কমানো
সম্ভব।
এক্ষেত্রে
৩
শতাংশ
রেগুলেটরি
ডিউটি
প্রত্যাহারই
আবশ্যিকভাবে
বড়
সহায়ক
হতে
পারে।
এতে
বিনিময়
হারে
৫
শতাংশ
অবমূল্যায়নের
মূল্যস্ফীতিমূলক
প্রভাব
হ্রাস
পাবে,
আবার
রাজস্ব
বা
সুরক্ষায়ও
কোনো
প্রভাব
পড়বে
না।
রেগুলেটরি
ডিউটি
প্রত্যাহার
করলে
বর্তমান
গড়
নামিক
শুল্ক
২৬
দশমিক
৪
শতাংশ
(২৬ দশমিক
৪)
থেকে
২৫
শতাংশে
(২৫ দশমিক
শূন্য)
নেমে
আসবে।
আর
এ
হ্রাস
হবে
প্রায়
৫
শতাংশ।
শুল্ক
রাজস্ব
বা
কার্যকর
শুল্ক
সুরক্ষার
অবমূল্যায়ন
ছাড়া
যেকোনো
অবচয়
মোকাবেলায়
কীভাবে
শুল্ক
কাঠামো
যৌক্তিক
করতে
হয়
তার
বিশেষজ্ঞ
পরামর্শ
এখন
দেশের
মধ্যে
সহভলভ্য।
এ
বিষয়ে
দেশে
অনেক
বিশেষজ্ঞ
রয়েছেন।
কৌশলের
দিক
থেকে
আমাদের
প্রস্তাব
কিছুটা
র্যাডিক্যাল
হতে
পারে,
তবে
আমরা
বিশ্বাস
করি
যে
‘কমপেনসেটেড
ডেপ্রিসিয়েশন’
মূলনীতি
যেকোনো
সুরক্ষাবাদী
বিরোধিতার
শক্তি-যৌক্তিকতা
খর্ব
করবে।
পরিশেষে
বলব
অর্থনীতিবিদদের
মধ্যে
ঐকমত্য
আছে
বিনিময়
হারের
যথাযথ
ব্যবস্থাপনা
রফতানি
প্রতিযোগিতা
সক্ষমতা
নিশ্চিত
করা
এবং
ভালো
রফতানি
নৈপুণ্যের
জন্য
গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের
মতো
অর্থনীতি—যেখানে
প্রবৃদ্ধির
প্রধান
চালক
রফতানি—সেখানে
বিনিময়
হারের
মিসঅ্যালাইনমেন্ট
অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধির
ওপর
বিরূপ
প্রভাব
ফেলতে
পারে।
নামিক
বিনিময়
হার
সেটিই,
যা
সবাই
লক্ষ
করে
এবং
কথা
বলে।
তবে
অর্থনীতিবিদরা
বেশি
চিন্তিত
থাকেন
প্রকৃত
বিনিময়
হার
নিয়ে,
যা
বাণিজ্য
অংশীদার
অর্থনীতিগুলোর
মধ্যে
মূল্যস্ফীতির
আপেক্ষিক
পরিবর্তনে
ভূমিকা
রাখে।
যদি
বিনিময়
হার
অতিমূল্যায়িত
হয়,
তাহলে
মুনাফা
কমানোর
মাধ্যমে
এটি
রফতানি
ক্ষেত্রে
অনুৎসাহজনক
বিষয়
হিসেবে
কাজ
করে।
আমদানি
বাড়ার
সময়ে
নামিক
বিনিময়
হারে
লাগাম
টানা
প্রকৃত
বিনিময়
হারে
অতিমূল্যায়ন
ঘটাতে
পারে,
যা
রফতানির
জন্য
ক্ষতিকর।
অতএব,
আন্তঃদেশীয়
সাক্ষ্যপ্রমাণে
উঠে
আসে
যে,
যেসব
অর্থনীতি
সফলভাবে
রফতানিমুখী
প্রবৃদ্ধি
নীতিগুলো
এগিয়ে
নিয়েছে,
তারা
শুধু
প্রকৃত
অতিমূল্যায়ন
এড়ায়নি,
বরং
কোনো
না
কোনো
সময়
তারা
নিজেদের
বিনিময়
হারকে
অবমূল্যায়নের
নীতিগুলোকেও
গ্রহণ
করেছে।
হার্ভার্ড
বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধ্যাপক
ড্যানি
রডরিকের
মতে,
চীন
হলো
সবচেয়ে
সাম্প্রতিক
উদাহরণ,
যেটি
জোরালো
রফতানি
ও
জিডিপি
প্রবৃদ্ধির
সুফল
কাজে
লাগাতে
কয়েক
দশক
নিজের
মুদ্রা
অবমূল্যায়িত
অবস্থায়
রেখেছে।
নীতি
হিসেবে
বাংলাদেশ
ব্যাংক
অন্তত
এটি
করতে
পারে
যে
বিনিময়
হার
যেন
কখনো
অতিমূল্যায়িত
না
হয়।
ড. জাইদী সাত্তার: অর্থনীতিবিদ; চেয়ারম্যান, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই)










