আজ বিশ্ব আদিবাসী দিবস। সারা বিশ্বের নিপীড়িত, শোষিত, নির্যাতিত আদিবাসীদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের দিন। বিশ্ব আদিবাসী দিবস ২০২১-এর প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, ‘Leaving No One Behind: Indigenous peoples and the call for a new social contract.’ জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে ৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রস্তাবটি ১৯৮২ সালের ৯ আগস্ট প্রথম জাতিসংঘে উত্থাপিত হওয়ার কারণে দিনটিকে বিশ্ব আদিবাসী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ২০০২ সালে The United Nations Permanent Forum on Indigenous Issue প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ৯০টি দেশে ৩৭০ মিলিয়নের অধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠী বসবাস করে, যারা প্রায় পাঁচ হাজার ভাষার প্রতিনিধিত্ব করে। তবে বিশ্বব্যাংকের মতে, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৩৭০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ শতাংশ। জাতিসংঘ ১৯৯৩ সালকে আদিবাসী বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এছাড়া ১৯৯৫-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রথম আদিবাসী দশক ও ২০০৫-১৪ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় আদিবাসী দশক হিসেবে পালন করেছিল। আদিবাসী দিবস, বর্ষ ও দশক পালনের মাধ্যমে আদিবাসীদের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ও স্বতন্ত্রসূচক রীতিনীতি তুলে ধরা হয়। আদিবাসীদের ভাষা, জন্ম ও মৃত্যু প্রথা, খাদ্যাভ্যাস, বৈবাহিক প্রথা তথা তাদের সংস্কৃতি রক্ষা করার আবেদন জানায়, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসীদের কাছে তুলে ধরে এবং এর মাধ্যমে নানা সমস্যার সমাধান খোঁজা হয়।

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক উভয় পরিপ্রেক্ষিতেই ভীষণ বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ একটি দেশ। এ দেশে বাঙালি ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক আদি নৃগোষ্ঠীর বসবাস। বাংলাদেশে বসবাসরত আদিবাসীরা মূলত পাঁচটি ভৌগোলিক অংশে বাস করে। এগুলোর মধ্যে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী বিভাগ ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা), মধ্যাঞ্চল (ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা), উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট বিভাগের জেলাগুলো), পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল (পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলো) এবং উপকূলীয় অঞ্চল (খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলো) অন্তর্ভুক্ত। এসব অঞ্চলের আদিবাসীদের মধ্যে সাঁওতাল, মুন্ডা, ওঁরাও, মাহাতো,
পাহাড়ি, মালো, পাহান, রাজবংশী, গারো, কোচ, ডালু, রাজবংশী, মণিপুরি, খাসিয়া, হাজং, ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, রাখাইনসহ আরো অনেক আদিবাসী বসবাস করে।

বাংলাদেশে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা সুনির্দিষ্টভাবে জানা না গেলেও বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের গেজেট (২৩ মার্চ, ২০১৯) অনুযায়ী বাংলাদেশে ৫০টির মতো আদিবাসী নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। বাংলাদেশে বাসরত আদিবাসীদের মূলত দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়—পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের আদিবাসী এবং অন্যটি হচ্ছে সমতলে বসবাস করা আদিবাসী। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রের বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।’ ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ১০ শতাংশ জনগোষ্ঠী অর্থাৎ ১৫ লাখ ৮৬ হাজার ১৪১ জন হচ্ছে সমতলের আদিবাসী। পাহাড়ি আদিবাসীদের দেখাশোনা করার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় থাকলেও সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক কোনো বিভাগ বা মন্ত্রণালয় নেই। ফলে সমতলের আদিবাসীদের দুঃখ-দুর্দশার অবস্থা নীতিনির্ধারকদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে না।

সমতলের আদিবাসীদের বড় অংশ রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোয়। আমরা সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ক্ষিরতলা গ্রামে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান পরিচালনা করার সময় এ গ্রামের মানুষদের অনেক কাছে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। গ্রামটি মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত, বিশেষত মাহাতো, শিং, তেলী, তুরি, মুরারি জনগোষ্ঠী এ গ্রামে বাস করে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পরিত্যক্ত প্রত্নস্থলগুলোর আশেপাশে তারা দীর্ঘদিন ধরে বাস করে আসছে। প্রত্নতাত্ত্বিক মাঠকর্মের সময় জাতিতাত্ত্বিক সমীক্ষায় লক্ষ করা গেছে যে ক্ষিরতলায় বসবাসরত প্রতিটি আদিবাসী গোষ্ঠীর নিজস্ব ঐতিহ্য ও রীতিনীতি রয়েছে, যা তারা শত শত বছর ধরে লালন করে আসছে। এ আদিবাসীরা হচ্ছে প্রকৃতির সবচেয়ে বড় রক্ষক। তারা লোকায়ত চর্চার মাধ্যমে প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে। যদিও তথাকথিত আরোপিত আধুনিক জ্ঞানের নামে আদিবাসীদের লোকায়ত জ্ঞান, ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও রীতি-নীতিগুলোকে ‘কুসংস্কার’ হিসেবে খারিজ করে দেয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়। ফলে আদিবাসীদের লোকজ সংস্কৃতি ক্রমান্বয়ে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে এবং একই সঙ্গে ‘কুসংস্কারাচ্ছন্ন’ কিংবা ‘জংলী’ প্রত্যয় দ্বারা তাদের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হচ্ছে। ফলে প্রান্তিকতা ও বিচ্ছিন্নতা তাদের দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর করে তুলেছে।   

বিশ্বব্যাংকের এক হিসাবে বলা হয়েছে, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ১৫ শতাংশ চরম দারিদ্র্য ও মূলধারার জনগোষ্ঠীর তুলনায় গড় আয়ু অন্তত ২০ বছর কম। এছাড়া ব্র্যাক পরিচালিত গবেষণায় লক্ষ করা গেছে যে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং এর মধ্যে সমতলের আদিবাসীদের মধ্যে ৬০ শতাংশ দরিদ্র, যার মধ্যে আবার ২৪ দশমিক ৬ শতাংশ আদিবাসী চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। ক্ষিরতলার আদিবাসীরাও এর ব্যতিক্রম নয়। গ্রামটিতে বাসরত প্রতিটি আদিবাসী গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা রয়েছে। অথচ ভাষাগুলো চর্চা না হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত বৈচিত্র্যময় ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। সরকারিভাবে পাঁচটি ভাষার পাঠ্যবই দেয়া হলেও মাঠ পর্যায়ে সেগুলো বাস্তবায়নের হার খুব কম। আদিবাসী ভাষাগুলোর মধ্যে অনেকগুলোর ক্ষেত্রে নিজস্ব বর্ণমালা নেই, বাচনিক রীতিতে ভাষাগুলো চর্চা করা হয়। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের বেশির ভাগই তাদের নিজেদের ভাষার সঙ্গে পরিচিত নয়। ভাষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত শিক্ষা। শিশুদের যদি নিজ মাতৃভাষায় শিক্ষা দেয়া যায় তাহলে তারা তাদের চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং চিন্তন ক্ষমতার বৃদ্ধি ঘটবে। আমাদের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সঠিকভাবে সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও আদিবাসীদের ভাষাগুলো নিয়ে গবেষণার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

পাশাপাশি ক্ষিরতলা গ্রামে বিদ্যালয়ের অভাব রয়েছে। ফলে অভিভাবকরা ছেলে শিক্ষার্থীদের দূরের বিদ্যালয়ে পাঠালেও মেয়ে শিক্ষার্থীদের দূরের বিদ্যালয়ে পাঠাতে চান না। বিদ্যালয়ে পাঠানোর পরির্বতে অনেকেই খুব কম বয়সে কন্যাশিশুদের বাল্যবিবাহ দিয়ে থাকেন। অথচ দেশে বাল্যবিবাহকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। 

ক্ষিরতলার আদিবাসীদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে একটি বড় অংশ জুড়ে আছে প্রকৃতি। তাদের বেশির ভাগ ধর্মীয় উৎসব, জন্ম, বিয়ে, মৃত্যুর ক্ষেত্রে বৃক্ষকে ব্যবহার করে। এ কারণে বৃক্ষের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পরিমাণ অনেক বেশি। কারাম, সহরায়, ডাল পূজা, সূর্য পূজা উৎসবগুলো প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। এ উৎসবগুলোয় আদিবাসীরা বহুকাল ধরে নিজস্ব পোশাক ও পানীয় পান করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই আদি বৈচিত্র্যময় উৎসবগুলো ক্রমান্বয়ে বিলুপ্ত হতে চলছে। গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠরা এসব প্রথা পালন করলেও তরুণদের মধ্যে দিন দিন আগ্রহ কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে নানা বিধিনিষেধ। বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম বিধায় ‘মদ’ একটি নিষিদ্ধ পানীয় হিসেবে বিবেচিত হওয়ার কারণে অনেক আদিবাসী সামাজিক চাপে তাদের সংস্কৃতির অংশ হিসেবে হাড়িয়া পান করতে পারে না। অথচ স্থানীয়ভাবে তৈরীকৃত হাড়িয়া তাদের সংস্কৃতির একটি অংশ।

এছাড়া আদিবাসী সমাজের আরেকটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ছিল বিয়ের সময় কনেকে ‘কনেপণ’ প্রদান করা। সময়ের পরিক্রমায় কনেপণ প্রথার বিধান ভেঙে জায়গা করে নিয়েছে যৌতুক প্রথা। সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশে যৌতুক নিষিদ্ধ হলেও ক্ষিরতলার খুব কম আদিবাসী বিবাহিত নারী আছেন, যাদের বিয়ে যৌতুক ছাড়া হয়েছে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, যৌতুকের কারণে কন্যার অভিভাবকরা আর্থিক ও মানসিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়ে থাকেন। আগে একটি পরিবারে মেয়েশিশু জন্মালে পবিরারের সদস্যরা খুবই আনন্দিত হতো। বর্তমানে দরিদ্র আদিবাসীদের কাছে কন্যাসন্তানের জন্মকে অভিশাপ হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রতিটি বিয়েতে বরপক্ষকে কমপক্ষে দেড় লাখ টাকা নগদ দেয়ার পাশাপাশি অলংকার, আসবাব এমনকি মোটরসাইকেল যৌতুক দিতে হয়। যৌতুকের কারণে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়।

অথচ বেশির ভাগ আদিবাসী মেয়ে পুরুষের পাশাপাশি কৃষিজমিতে কাজ করে। যাদের কৃষিজমি নেই, তারা বাড়িতে গবাদিপশু পালন করে। অনেক ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীও ঘরে বন্দি না থেকে ক্ষেতে-খামারে কাজ করতে যান। এছাড়া খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আদিবাসীদের লোকায়ত জ্ঞান দিয়ে তারা প্রসূতি মায়ের সেবা ও শিশু জন্মদান করেন। খুব কম আদিবাসী নারী আছেন, যারা জন্মদানের জন্য তথাকথিত আধুনিক ‘সিজারিয়ান’ পদ্ধতির আশ্রয় নেন। অন্যদিকে লোকায়ত চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণ করেন। লক্ষণীয় যে শিশু জন্মদান প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে আদি পদ্ধতি অনুসরণে মাতৃমৃত্যুহার প্রায় শূন্য শতাংশ।

২০১৬ সালে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন একটি জরিপে দেখিয়েছে যে ৭৯ দশমিক ৩ শতাংশ মূলধারার জনগোষ্ঠী আদিবাসীদের ‘নোংরা’ ও ‘খারাপ’ হিসেবে অভিহিত করেছে (সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং মৌলিক সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রবেশগম্যতা, ২৫ জুলাই ২০২১; দৈনিক বণিক বার্তা)। ‘আদিবাসী’ সম্পর্কে মূলধারার জনগোষ্ঠীর এ ভ্রান্ত ধারণাগুলো পরিবর্তন জরুরি। আদিবাসীদের নিজস্ব বিশ্বাস ও রীতিনীতিগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

বিশ্ব আদিবাসী দিবস ২০২১-এর প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারলে সমতলের আদিবাসীরা তাদের বসবাসের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ পাবে। আদিবাসীদের সম্পর্কে মূলধারার জনগোষ্ঠীর ভ্রান্ত ধারণার অবসান ঘটিয়ে সমতলের আদিবাসীদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের ‘কেউ পিছিয়ে থাকবে না’ নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রান্তিক ও বিচ্ছিন্ন আদিবাসীদের জন্য একটি টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমতাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা সম্ভব হবে।

 

মো. রিফাত-উর-রহমান: শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগ, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ

 

মেহেদী হাসান: শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগ, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ