লাতিন আমেরিকার কিছু দেশের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বৈসাদৃশ্য হিসেবে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি সহনীয় ও স্থিতিশীল হিসেবেই পরিচিত। ২০১১-২০ রাজস্ব বছরের মধ্যে ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় মূল্যস্ফীতি গড়ে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল। এ পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে গত কয়েক মাসে বদলে গিয়েছে। মূল্যস্ফীতি ২০২২ সালের অক্টোবরে আক্ষরিক অর্থে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ নির্দেশ করলেও ১২ মাসের ক্ষেত্রে চলমান সিপিআই সূচক ৭ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে। এটি এক দশক বা তারও বেশি সময়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ। এক্ষেত্রে নিম্নবিত্তরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে। নির্দিষ্ট আয়ের উপার্জনকারীরা এর শেষ খুঁজে পাওয়া কঠিন হিসেবে দেখছেন। এক্ষেত্রে কিছু পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।  

কিন্তু এ মূল্যস্ফীতির বিষয়টি ভিন্ন। স্থানীয় শস্য উৎপাদন ব্যর্থ হওয়া অথবা শিল্প উৎপাদন ব্যাহতের কারণে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়নি। এজন্য বহির্বিশ্বের ঘটনাবলি কারণ হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। এটাকে অবশ্যই ‘আমদানীকৃত মূল্যস্ফীতি’ হিসেবে বর্ণনা করা যায়, কারণ এর উৎস সাম্প্রতিক বাহ্যিক ঘটনাবলিতেই পাওয়া যায়। কভিড-পরবর্তী সময়ে সরবরাহ চেইনে ঘাটতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, খাদ্য এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি পাওয়া এবং সার্বিক বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এজন্য দায়ী।

প্রায়োগিকভাবে বাংলাদেশ আমদানি করে—এমন সব পণ্যের মূল্যই বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সাম্প্রতিক সময়ে সামান্য কমেছে। এদিকে খাদ্যের মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় অবস্থান করছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকায় ইউরোপের শস্যঝুড়ি হিসেবে পরিচিত ইউক্রেন থেকে শস্যের চালান বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে আমাদের অর্থনীতি বাণিজ্যিক পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছে। যেমনটি অবাণিজ্যিক পণ্যের (সেবা, পরিবহন) ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে। স্পষ্টভাবে বোঝা যায় এ মূল্যস্ফীতি আমদানির মাধ্যমে প্ররোচিত।

বিগত রাজস্ব বছরে আমরা ৩৫ শতাংশ আমদানি প্রবাহ দেখেছি, যা ৩৪ শতাংশ রফতানি প্রবাহের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। আমদানি প্রবাহের ফল হিসাবে গত বছর ৬ হাজার কোটি ডলারের মোট আমদানির বিপরীতে ২০২২ রাজস্ব বছরে পণ্যদ্রব্য আমদানির ক্ষেত্রে ৮ হাজার ২০০ কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে। আমদানি বৃদ্ধি পাওয়া আংশিকভাবে আমদানীকৃত পণ্যের বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে জড়িত, কিন্তু বৃহত্ভাবে আমদানি-রফতানি সংযোগ তখনই সংঘটিত হয়, যখন একটি অর্থনীতি শিল্পজাত পণ্য রফতানি করে থাকে। এ আমদানি বৃদ্ধি রফতানি ও রেমিট্যান্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যার বর্তমান ঘাটতি ১৮৭০ কোটি ডলার বা জিডিপির ৪ শতাংশ। এটি টাকা-ইউএস ডলারের মধ্যে বিনিময় হারে চাপ তৈরি করে, যা ডলারের মূল্য বাড়িয়ে দেয়।  এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ১০০০ কোটি ডলার প্রদান করার পরও টাকার অবমূল্যায়ন রোধ করা যায়নি।

বিনিময় হার নির্ধারণের বিষয়টি পুরোপুরি বাজারের হাতে ছেড়ে দেয়ার পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ২০ শতাংশের ওপর মূল্যহ্রাস হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মূল্য পরিশোধ পণ্য ব্যবসা ও সেবার পরিপ্রেক্ষিতে ইউএস ডলারে না হলেও এ মুদ্রা মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশেরও বেশি ব্যবসা ও পুঁজি বিনিময়ে আর্থিক ভূমিকা রাখে। যদি টাকার অবমূল্যায়ন না হয়, তাহলে ২০ শতাংশের ওপরে বিনিময় হার শুধু ডলার মূল্যায়নের যুক্তি হিসেবে গণ্য হবে।

এদিকে আমদানি পণ্যের স্থানীয় মূল্য বেড়েছে দুই কারণে। প্রথমত, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি অন্যান্য বাণিজ্যিক এবং অবাণিজ্যিক খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দেখেছে। দ্বিতীয়ত, বিনিময় হারের অবমূল্যায়ন বড় আকারে আমদানি মূল্যবৃদ্ধি করার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানি বিকল্প পণ্যগুলো স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা উচিত। এসব কিছু স্থানীয় মূল্য তালিকা বৃদ্ধির ফলে তৈরি হওয়া মূল্যস্ফীতিকেই নির্দেশ করে। এটা মনে রাখতে হবে, আমাদের আমদানির ৮০ শতাংশ থাকে কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য এবং মূলধনি পণ্য, যা দেশের অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতের জন্য নির্ধারিত। ফলে এটি মূল্যস্ফীতিতে জোরালো ভূমিকা রেখেছে।

এ পরিস্থিতিতে আমি অবশ্যই যুক্তি দেব  মূল্যস্ফীতিকে চাহিদা ব্যবস্থাপনার নামে প্রশ্রয় দেয়া উচিত না, যা আমরা অধিকাংশ উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোয় দেখতে পাই। এ দেশগুলো বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় থেকে প্রায় ১২ বছর ধরে আর্থিক সহজীকরণের সঙ্গে জড়িত। এটি এমন এক সময়ের কথা যখন মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশের নিচে ধাবমান এবং সুদের হারও এর চেয়ে কম ছিল। বর্তমানে তারা কভিড-পরবর্তী সরবরাহে ঘাটতি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে মূল্যবৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতি এড়াতে সঞ্চয়ের চাহিদা সীমিত করে আর্থিক বিষয়ে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। এক্ষেত্রে চাহিদা সীমিত করলেও মূল্যস্ফীতি থাকায় সুদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশের দৃশ্যকল্পে এটি কাজে লাগার সম্ভাবনা নেই। মূল্যস্ফীতি দমন সীমান্তেই শুরু করতে হয়। একটি বিষয় এরই মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০ শতাংশের কাছাকাছি বিনিময় হারের অবমূল্যায়ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যে হয়েছিল। স্থানীয় বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে পুরোপুরি দূরত্ব রেখে সেখানে তিনটি যুগপৎ বিষয়ের প্রভাব ছিল। প্রথমটি হচ্ছে টাকা-ডলারের ২০ শতাংশ অবমূল্যায়ন রাজস্ব বোর্ডের ২০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির সমতুল্য, এটি মূল্যায়নযোগ্য দরের ক্ষেত্রে এসেছে যা সব আমদানির ওপর ২০ শতাংশ করা হয়েছে (কাস্টমস থেকে যে আমদানি কর মূল্যায়ন করা হয়)। সাধারণভাবে ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করে ৮৫ টাকা ডলার হিসাবে ১০০ ডলারের মূল্য হবে ৮ হাজার ৫০০ টাকা। আর ২০ শতাংশ অবমূল্যায়ন করলে ১০২ টাকা মূল্যের ডলারে ১০০ ডলারের সমমান হবে ১০ হাজার ২০০ টাকা, যা ১০ শতাংশ শুল্ক হিসাবে ১ হাজার ২০ টাকা রাজস্ব নির্ধারণ করে। উদাহরণ হিসেবে ২০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি যা পুরনো বিনিময় হারের মাধ্যমে উত্পন্ন হয়েছে। যদিও ২০ শতাংশ অবমূল্যায়নের ফলে বিনিময় মূল্য ২০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির সমতুল্য (১০ শতাংশ শুল্ক ১২ শতাংশ শুল্ক হার হয়েছে)। এটি এনবিআরের জন্য অভাবনীয় শুল্ক বৃদ্ধি, এক্ষেত্রে কোনো আইনের প্রয়োজনও হবে না!

দ্বিতীয়ত, অভিন্ন শুল্ক প্রয়োগ নীতির সুরক্ষা বাস্তবায়নে ২০ শতাংশ বিনিময় হারের অবমূল্যায়ন ২০ শতাংশ সমানুপাতে কার্যকর সুরক্ষা (Effective protection) মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব রাখে, যা একই সমানুপাতিক হারে শুল্ক প্রবর্তনে উৎপাদন ও জোগান মূল্য বৃদ্ধি করে। এর অর্থ দাঁড়ায় আমদানি বিকল্প শিল্পগুলো যেমন বিনিময় হারের অবমূল্যায়নের ক্ষেত্রে সহায়তা পেতে পারে। এক্ষেত্রে সতর্কতাও রয়েছে, স্থানীয় আমদানি বিকল্পগুলো আমদানীকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ বিকল্প হওয়ায় এর উৎপাদনমূল্য সম্ভবত শুল্ক বৃদ্ধির মতো করে অত্যধিক বৃদ্ধি পাবে না। সুতরাং কার্যকর সুরক্ষার বৃদ্ধি অবমূল্যায়ন দরের সঙ্গে হয়তো যথাযথ সমকক্ষ হবে না, কিন্তু এক্ষেত্রে তবুও একটি উত্থানের বিষয় থেকে যায়। 

তৃতীয়ত রফতানিকারকরা প্রতি ডলার রফতানির ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ অতিরিক্ত পাবেন। আমরা এটিকে ভর্তুকি বলতে পারি, যা নগদ ভর্তুকি থেকে ভিন্ন, যেটি তারা সরকারের বাজেট থেকে গ্রহণ করে।

এক্ষেত্রে পুরোপুরি পৃথক বিষয় হচ্ছে ভোক্তা পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ৮০ শতাংশ আমদানি উৎপাদনশীল খাতের জন্য নির্ধারিত। শিল্প, কৃষি এবং সেবার ক্ষেত্রে উৎপাদনের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ফল হিসেবে উৎপাদন মূল্যে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে। বৃহৎ আকারে মূল্যস্ফীতির এ প্রত্যাবর্তন আমদানি দ্বারা প্ররোচিত হয়েছে।

এ আমদানি প্ররোচিত মূল্যের ফলে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর অনুষঙ্গ হচ্ছে শুল্ক কাঠামোকে ব্যবহার করা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড শুল্কে অপ্রত্যাশিত ২০ শতাংশ উল্লম্ফনের ফলে লাভবান হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজস্বের কোনো ক্ষতি ছাড়াই শুল্ক হার সমন্বয়ের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমানো যেতে পারে।

একটি প্রলম্বিত ফল হচ্ছে রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি) যা ৩ হাজার ৪০০ শুল্ক সীমায় প্রয়োগ হয় (যা মোট শুল্কসীমার ৪৫ শতাংশ)। আরডির ৯৫ শতাংশ যা ৩ শতাংশের উচ্চমূল্যের পণ্য হিসেবে পরিচিত ক্ষুদ্র সংখ্যার ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয় (অজানা বাছাই মানদণ্ড অনুযায়ী)। কাস্টমস শুল্কের ক্ষেত্রে আরডি স্থায়ী উপাদান নয়, কিন্তু প্রতি বছর আইন প্রণয়নের দরকার হয়। এক ধাক্কায় সমগ্র আরডিকে অপসারণ করা হলে তা মূল্যস্ফীতিকে কিছুটা লাঘব করতে পারে। এটি কেবল সূচনার নামান্তর, সাহসী হূদয় হলে মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে অধিক ভূমিকা রাখতে পারে।

এক্ষেত্রে এনবিআরের রাজস্ব হারানোর কিছু নেই, কারণ এটি দৈবিকভাবে হয়েছে। স্থানীয় লবির আমদানি বিকল্প সুরক্ষায় আরডি বিনিময় অবমূল্যায়ন থেকে ২০ শতাংশ সুরক্ষা পাচ্ছে এ অভিযোগ করার কোনো যুক্তি নেই। বিষয়টি হচ্ছে বিনিময় হারের বৃহৎ অবমূল্যায়নের প্রভাবে মূল্যের যে নিরপেক্ষীকরণ বর্তমান আমদানি প্ররোচিত মূল্যস্ফীতিতে নিম্নমুখী প্রভাব রাখবে। আরডি নিরসন একটি সাধারণ নিরীহ গবেষণা হতে পারে, যার শুল্ক যৌক্তিকীকরণের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রয়েছে, যেটি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) নির্দেশনায় গঠিত একটি স্টাডি টিমের মাধ্যমে পরীক্ষিত হয়েছে। এটি ভোক্তা ও উৎপাদক উভয়ের জন্য জয়জয়কার হিসেবে গণ্য হবে।

উপসংহারের ক্ষেত্রে এমন এক সময়ে যখন সুদের হার নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে বন্ধ হয়ে আছে, তখন আমানত নিয়ন্ত্রণ করা (উদাহরণ হিসেবে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ) ক্রমবর্ধমান সুদ হার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে সম্ভব হবে না। শুল্ক নিয়ন্ত্রণ সম্ভাব্য প্রাণঘাতী অনুষঙ্গ হিসেবে আমদানীকৃত মূল্যস্ফীতিকে রুদ্ধ করায় ভূমিকা রাখবে। বর্তমান শুল্ক মাত্রা বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিময়তাকে অবমূল্যায়ন করছে বৈদেশিক সরাসরি বিনিয়োগকে (এফডিআই) নিরুৎসাহিত করার মাধ্যমে, একই সময়ে বহুজাতিক করপোরেশনগুলো (এমএনসি) তাদের বিনিয়োগের জন্য বিশ্বকে নতুন কাঠামোয় দাঁড় করাচ্ছে। বাংলাদেশের সব শুল্ক হিসাব উল্লেখযোগ্যভাবে তার সব উপাদানের চেয়ে উঁচু অবস্থানে আছে। এটি বৈদেশিক বিনিয়োগ ও রফতানির বৈচিত্র্যকে আকৃষ্ট করার কৌশলের ক্ষেত্রে হোঁচট খাওয়ার মতো প্রতিবন্ধকতা।

টাকা-ডলার বিনিময় হারের স্পষ্ট অবমূল্যায়ন আমাদের বহিরাগত উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি ছিল। যদিও এটি আমদানির ধাক্কাকে মূল্যস্ফীতিতে প্ররোচিত করে বাংলাদেশের বর্তমান শুল্ক কাঠামো তৈরির সমানুপাতিক ক্ষেত্রে একটি অপ্রচলিত বাধা উপস্থাপন করে। এক্ষেত্রে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) গবেষণা আমদানীকৃত মূল্যস্ফীতির ত্রুটি নিরাময়ে শুল্ক নিয়ন্ত্রণের আবশ্যকীয় সুযোগ খুঁজে পেয়েছে।

 

ড. জাইদী সাত্তার: অর্থনীতিবিদ; চেয়ারম্যান, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই)