প্রস্তাবিত
বাজেটে
রয়েছে
মূলত
দুটি
চ্যালেঞ্জ।
এক.
করোনার
কারণে
অর্থনীতি
যে
গর্তে
পড়েছে,
সেখান
থেকে
তুলে
এনে
তার
গতি
বাড়ানো।
দুই.
দেশ
ধনী
হচ্ছে,
প্রশ্ন
বৈষম্য
নিয়ে।
বর্তমান
সময়ে
সমতাভিত্তিকভাবে
গরিবদের
চেয়ে
ধনীদের
আরো
ধনী
হওয়ার
প্রক্রিয়া
কাঠামোগতভাবে
প্রতিহত
করা
।
করোনাকালে কিছু
মানুষ
অতিধনী
হয়েছে।
আবার
অর্থনীতিতে
যে
অভিঘাত
পড়েছে,
তা
দরিদ্রকে
অতিদরিদ্র
অবস্থার
দিকে
ঠেলে
দিয়েছে।
নতুন
দরিদ্র
হওয়া
অধিকতর
বৈষম্য
বৃদ্ধির
ইঙ্গিত
দেয়।
নতুন
গরিবদের
জন্য
প্রাথমিক
ও
দীর্ঘমেয়াদি—এ
দুই
ধরনের
পরিকল্পনা
করতে
হবে।
যখন অর্থনীতি
অনেকটা
সংকুচিত
তখন
বাজেটের
আসল
বিবেচনার
বিষয়
হলো
রাজস্ব
ঘাটতি
আর
বাস্তব
চাহিদার
মধ্যে
সামঞ্জস্য
তৈরি
করা।
রাজস্ব
ঘাটতি
বৃদ্ধির
চাপ
সামলে
প্রবৃদ্ধির
পথে
এগোতে
হবেই।
অন্য
বেশির
ভাগ
দেশ
যখন
মহামারীর
শুরুতেই
ব্যয়
বাড়িয়েছে,
স্বল্প
রাজস্ব
আয়ের
বাংলাদেশ
কিন্তু
তখনো
অনেকটা
চিরচেনা
পথেই
হাঁটছে।
এখন
সরকারকে
সিদ্ধান্ত
নিতে
হবে
কীভাবে
দেশের
নিম্ন
আয়ের
মানুষের
আয়
বাড়িয়ে
অর্থনীতির
গতি
বাড়ানো
যায়।
এতে শুধু
করোনাকালীন
সংকুচিত
অর্থনীতিকে
মোকাবেলা
করা
যাবে
তা-ই
নয়,
অধিক
কর্মসংস্থান
করা
যাবে।
তাই
তিনটি
খাতে
অগ্রাধিকার
থাকা
দরকার।
প্রথমত,
গরিব
ও
ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ীদের
জন্য
প্রণোদনার
ব্যবস্থা
রাখা।
দ্বিতীয়ত,
করোনার
বিষয়টি
মাথায়
রেখে
স্বাস্থ্য
খাতে
বরাদ্দ
বাড়ানো।
চিকিৎসাসেবা
আরো
উন্নত
করা,
যাতে
করোনার
পরবর্তী
ধাপ
আমরা
মোকাবেলা
করতে
পারি।
তৃতীয়ত,
অবকাঠামো
খাতে
আরো
বরাদ্দ
বাড়ানো।
করোনা যেহেতু
এখনই
যাচ্ছে
না,
দরিদ্রদের
নগদ
টাকা
বছরে
একাধিকবার
দেয়া
এবং
বাজারে
প্রকৃত
চাহিদা
যেন
তৈরি
হতে
পারে,
সেজন্য
ক্ষুদ্র
ও
মাঝারি
শিল্পের
সঙ্গে
সম্পৃক্তদের
সহযোগিতা
দেয়া
দরকার।
কারণ
এরাই
অর্থনীতির
চালিকাশক্তি।
সরকার
প্রণোদনা
তহবিল
ঘোষণা
দিয়েছে
ঠিকই,
তবে
এর
প্রায়
পুরোটাই
ব্যাংকঋণনির্ভর।
একের
পর
এক
ব্যাংক
খোলা
হলেও
দেশের
বেশির
ভাগ
মানুষ
এখনো
ব্যাংকের
আওতার
বাইরে।
ফলে
প্রণোদনার
ঋণের
বেশির
ভাগই
পাচ্ছেন
বড়
ও
প্রভাবশালীরা।
করোনার
এই
মহামারীর
সময়ে
বিশ্বের
প্রায়
সব
দেশই
প্রণোদনা
দিচ্ছে।
কিন্তু
বিদ্যমান
ব্যাংক
মডেলে
এ
প্রণোদনা
ছাড়
হলে
সফল
হবে
না।
কারণ
ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ীদের
অনেকের
ব্যাংকে
যাওয়ার
সামর্থ্য
নেই।
বড়দের
জন্য
প্রণোদনা
প্যাকেজের
ঋণ
মুহূর্তেই
বিতরণ
হয়ে
যায়,
হয়
না
শুধু
এসএমইর।
করোনার ক্ষতি
কাটিয়ে
অর্থনীতি
পুনরুদ্ধার
করতে
এবং
বিনিয়োগ
ও
কর্মসংস্থানে
গতি
ফেরাতে
শিল্প,
বাণিজ্য,
কৃষি,
ক্ষুদ্র
ও
মাঝারি
শিল্প
খাতকে
চাঙ্গা
করতে
হবে।
দীর্ঘমেয়াদি
বিনিয়োগ
যাবে
পরিকাঠামো,
শিক্ষা
ও
স্বাস্থ্য
পরিষেবায়।
অধিকন্তু,
দ্রুত
আর্থিক
পুনরুদ্ধারের
জন্য
গ্রামীণ
কর্মসংস্থান
প্রকল্পে
যেমন
পরিকল্পিতভাবে
ব্যয়
বরাদ্দ
প্রয়োজন,
অন্যদিকে
শহরাঞ্চলেও
বিশেষ
নজর
দিয়ে
কর্মসংস্থান
বৃদ্ধি
তথা
নগর
দারিদ্র্য
বিমোচনে
জোর
দেয়া
আবশ্যক।
অন্য
সব
দেশের
প্রণোদনা
তহবিলের
অন্যতম
উদ্দেশ্য
সাধারণ
মানুষ
বা
ভোক্তার
হাতে
নগদ
অর্থ
পৌঁছে
দেয়া,
যাতে
অভ্যন্তরীণ
বাজারে
চাহিদা
বজায়
থাকে।
কেননা
চাহিদা
থাকলেই
উৎপাদন
বাড়বে,
বিনিয়োগ
হবে,
তাতে
কর্মসংস্থানও
ধরে
রাখা
যাবে।
করোনার দ্বিতীয়
ঢেউ
মোকাবেলার
জন্য
আমরা
প্রস্তুত
নই,
যেটা
স্পষ্টতই
দেখা
যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য
খাতে
বরাদ্দ
আরো
বাড়ানো
উচিত।
এ
খাতে
বরাদ্দ
জিডিপির
৩
থেকে
৪
শতাংশ
করা
উচিত,
যাতে
স্বাস্থ্য
খাতে
এখন
যেসব
দুর্বলতা
আছে
সেগুলো
কাটিয়ে
ওঠা
যায়।
অর্থ
খরচে
একটা
গাইডলাইন
থাকা
উচিত।
চলতি
অর্থবছরের
নয়
মাসে
স্বাস্থ্য
খাতে
মোট
বরাদ্দের
মাত্র
২২
শতাংশ
টাকা
খরচ
হয়েছে।
এটা
উৎসাহজনক
চিত্র
নয়।
করোনার কারণে
সরকারের
অবকাঠামো
খাতে
আরো
বেশি
বিনিয়োগ
করা
উচিত।
কারণ
গ্রামীণ
দরিদ্র
মানুষ
বেশ
বিপদে
আছে।
অবকাঠামো
খাতে
বিনিয়োগ
বাড়ালে
অর্থনৈতিক
উন্নয়ন
ত্বরান্বিত
হয়।
সাময়িক
কিছু
কর্মসংস্থানের
সুযোগ
সৃষ্টি
হবে।
সরকার
যদি
রাস্তাঘাট
নির্মাণে
আরো
বেশি
বরাদ্দ
দেয়,
তখন
গ্রামাঞ্চলে
অনেকের
কর্মসংস্থান
হবে।
এতে
গ্রামীণ
অর্থনীতিতে
প্রাণচাঞ্চল্য
ফিরে
আসবে।
চ্যালেঞ্জ শিক্ষা
খাতেও।
শিক্ষার
মান
উন্নয়ন,
গবেষণা
খাতে
বাজেট
বরাদ্দের
পরিমাণ
বাড়েনি।
শিক্ষার্থীরা
প্রায়
দেড়
বছর
ধরে
প্রত্যক্ষ
শিক্ষার
সুযোগ
থেকে
বঞ্চিত।
এ
ঘাটতি
পূরণ
করাও
এখন
একটি
বড়
চ্যালেঞ্জ।
অনেকেই
মনে
করছেন,
এর
প্রভাব
এখনই
বোঝা
না
গেলেও
ভবিষ্যতে
যখন
এসব
ছাত্র-ছাত্রী
চাকরির
বাজারে
আসবে
তখন
বোঝা
যাবে
আমরা
কী
হারিয়েছি।
বাজেট আঞ্চলিক
বৈষম্য
বাড়াচ্ছে।
একই
সঙ্গে
বাজেটে
প্রান্তিক
মানুষের
জীবিকা
নির্বাহ
ও
জীবনমান
উন্নয়নের
দিকনির্দেশনা
অনুপস্থিত।
দেশের
সব
ক্ষেত্রে
একই
রকম
উন্নতি
হচ্ছে
না।
বাজেট
বরাদ্দ
বাড়লেও
দুর্নীতি
ও
সুশাসনের
অভাবে
সঠিকভাবে
এর
বাস্তবায়ন
হচ্ছে
না।
চলতি
অর্থবছরের
বাজেট
বাস্তবায়ন
চিত্র
হতাশাজনক।
১০
মাসে
বার্ষিক
উন্নয়ন
কর্মসূচির
(এডিপি) বাস্তবায়ন
হয়েছে
৪৯
শতাংশ।
ব্যক্তি খাতে
বিনিয়োগ
বাড়েনি।
ব্যক্তি
খাতে
ঋণ
লক্ষ্যমাত্রা
ছিল
যেখানে
১৫
শতাংশ,
প্রথম
আট
মাসে
তা
হয়েছে
৮
দশমিক
৮
শতাংশ।
গত
এক
দশকে
যে
বেসরকারি
বিনিয়োগ
প্রায়
স্থবির
হয়ে
আছে,
তার
বড়
কারণ
ব্যবসা-বাণিজ্য
পরিচালনায়
সহায়ক
পরিবেশের
ঘাটতি।
ফলে
প্রতিবেশী
ও
প্রতিযোগী
সব
দেশের
তুলনায়
বাংলাদেশে
বিদেশী
বিনিয়োগের
পরিমাণও
অনেক
কম।
ঢাকাকেন্দ্রিক না
করে
সব
জেলায়
সাশ্রয়ী
আবাসনের
ব্যবস্থা
করতে
হবে।
একীভূত
উন্নয়নের
ফলে
অন্য
শহরগুলোয়
জীবিকা,
অবকাঠামো,
শিক্ষা,
স্বাস্থ্যসহ
জীবনমান
হারাচ্ছে।
অথচ
সারা
বাংলাদেশের
অন্তর্ভুক্তিমূলক
উন্নয়ন
প্রয়োজন।
আঞ্চলিক
বৈষম্য
কমাতে
পিছিয়ে
পড়া
এলাকাগুলোয়
বিশেষ
বরাদ্দ
দিয়ে
শিক্ষা,
স্বাস্থ্য,
অবকাঠামোগত
উন্নয়ন,
বিনিয়োগ
সুবিধা
ও
কর্মসংস্থানের
সুযোগ
তৈরি
করা
জরুরি
।
জিডিপির আকার
যেহেতু
বাড়ছে
সেহেতু
ব্যয়ের
পরিমাণও
বাড়বে।
আয়
কোথা
থেকে
আসবে,
সেই
পথনকশা
নেই।
নতুন
কর
আরোপ
না
করে
কর
ফাঁকি
ও
অর্থ
পাচার
বন্ধ
করার
পদক্ষেপ
নিয়ে
সম্প্রসারণমূলক
বাজেট
করা
এবং
নীতি
পরিকল্পনায়
মোট
দেশজ
উৎপাদনের
(জিডিপি) প্রবৃদ্ধির
চিন্তা
থেকে
বেরিয়ে
বৈষম্য
রোধ
ও
সুষম
বণ্টনের
দিকে
মনোযোগ
দিতে
হবে।
ব্যাংকে না
হয়
আপাতত
তারল্য
আছে,
তবে
সঞ্চয়পত্র
ও
ব্যাংকবহির্ভূত
অন্যান্য
খাত
থেকে
যে
বিরাট
অংকের
টাকা
সংগ্রহের
কথা
বলা
হচ্ছে,
করোনা
পরিস্থিতিতে
মানুষের
কাছ
থেকে
তা
কীভাবে
সংগ্রহ
করা
হবে,
সেটাও
অনেকটা
প্রশ্নবিদ্ধ।
সরাসরি আয়কর
আদায়ের
সক্ষমতাও
সবচেয়ে
কম
এনবিআরের।
মোট
আয়করের
প্রায়
৮৫
শতাংশ
আসে
উৎসে
ও
অগ্রিম
কর
হিসেবে।
এর
মানে
আয়-ব্যয়
হিসাব
করার
আগেই
ব্যবসা
পরিচালনা
পর্যায়ে
উৎসে
ও
অগ্রিম
করের
নামে
বিপুল
অর্থ
কেটে
রাখা
হয়,
যা
ব্যবসার
খরচ
বাড়িয়ে
দেয়
।
বাংলাদেশ থেকে
নেটফ্লিক্স,
অ্যামাজন
প্রাইমের
বিজ্ঞাপন
থেকে
আয়
করে,
মাসে
মাসে
গ্রাহক
ফি
নেয়,
বিভিন্ন
সেবা
বিক্রি
করে,
তাদের
আয়ের
মাধ্যম
অনেক।
মার্কিন
গণমাধ্যম
সিএনবিসি
গত
১
মে
টেক
জায়ান্টরা
কত
আয়
করে,
তার
একটি
তুলনামূলক
চিত্র
তুলে
ধরেছে।
তাদের
হিসাবে
মহামারীর
মধ্যেও
ই-কমার্স
প্রতিষ্ঠান
অ্যামাজনের
প্রতি
মিনিটে
আয়
ছিল
৮
লাখ
ডলারের
বেশি।
অ্যাপলের
আয়
সে
তুলনায়
একটু
কম,
৭
লাখ
ডলারের
মতো
ইত্যাদি।
বাংলাদেশে তাদের
আয়ের
মাধ্যম
অনেক,
যেমন
বিজ্ঞাপন,
গ্রাহক
ফি,
বিভিন্ন
সেবা
বিক্রি
ইত্যাদি।
বাংলাদেশে
কোনো
কোম্পানি
এভাবে
আয়
করলে
মুনাফার
ওপর
সাড়ে
২২
থেকে
৪৫
শতাংশ
করপোরেট
কর
দিতে
হয়।
কোনো পণ্য
বিদেশ
থেকে
আমদানি
করলে
উচ্চহারে
কর
দিতে
হয়।
কিন্তু
দেশে
উৎপাদন
করলে
করহার
কম
হয়,
কর্মসংস্থানের
স্বার্থে।
কিন্তু
নেটফ্লিক্স
কোনো
ধরনের
কর
ছাড়াই
তার
সিনেমা
বাংলাদেশে
পাঠিয়ে
দিচ্ছে।
কোনো
আমদানি
শুল্ক
নেই,
নিয়ন্ত্রণমূলক
শুল্ক
নেই,
অগ্রিম
আয়কর
কিংবা
ভ্যাট
নেই।
বাংলাদেশে
যেসব
অনলাইন
স্ট্রিমিং
উদ্যোগ
তৈরি
হয়েছে,
তারা
কীভাবে
শত
শত
কোটি
ডলারের
কোম্পানি
নেটফ্লিক্সের
সঙ্গে
প্রতিযোগিতায়
পারবে।
কর আদায়ের
ক্ষেত্রে
দেশীয়দের
চেপে
ধরা
হচ্ছে।
আর
দেশের
বাইরে
থেকে
এ
দেশে
ব্যবসা
করা
বহুজাতিক
টেক
জায়ান্টদের
আয়কর
দিতে
হচ্ছে
না।
এটা
বড়
ধরনের
বৈষম্য।
দেশীয়
পণ্যের
কাঁচামাল
আমদানির
সময়
অগ্রিম
আয়কর
কেটে
রাখা
হয়।
লাভ
হোক,
লোকসান
হোক—এ
টাকা
আয়কর
হিসেবেই
নিয়ে
নেয়
সরকার।
কিন্তু
গুগল,
ফেসবুক,
নেটফ্লিক্সদের
কাছ
থেকে
এনবিআর
কিন্তু
অগ্রিম
আয়কর
কেটে
রাখে
না।
সবাই নানা
ফন্দি
করে
কর
ফাঁকি
দেয়,
ধরাও
পড়ে
না।
এসব
অর্থের
বড়
অংশ
অন্য
দেশে
পাচার
হয়,
আর
কালো
টাকা
অবাধে
সাদা
করার
সুযোগ
তো
থাকেই।
কালো
টাকা
সাদা
করার
সুযোগ
দেয়ার
ক্ষেত্রে
অপ্রদর্শিত
আয়
ও
অবৈধভাবে
উপার্জিত
অর্থের
মধ্যে
পার্থক্য
থাকা
উচিত।
প্রস্তাবিত বাজেটে
কোনো
অগ্রাধিকার
খাত
নেই।
পিছিয়ে
পড়া
বা
প্রান্তিক
জনগোষ্ঠীর
জন্য
যেমন
কিছু
নেই।
মোট
দেশজ
উৎপাদনের
(জিডিপি) প্রবৃদ্ধির
প্রতি
‘আচ্ছন্ন’
না
থেকে
করোনা
সংকট
উত্তরণে
স্বাস্থ্য,
সামাজিক
নিরাপত্তা,
শিক্ষাসহ
অগ্রাধিকারভিত্তিক
বরাদ্দ
দিতে
হবে।
বিকাশমান
অর্থনীতিতে
ক্রমবর্ধমান
তরুণ
জনগোষ্ঠীর
কর্মসংস্থানের
প্রধান
ক্ষেত্র
হচ্ছে
শিল্প-কারখানা।
এটি
প্রায়
স্বীকৃত
যে
সামনের
দিনগুলোয়
অর্থনীতিকে
স্বাভাবিক
রাখতে
বিনিয়োগ
ও
কর্মসংস্থানই
প্রধান
চ্যালেঞ্জ।
তবে
প্রবৃদ্ধি
অর্জনের
জন্য
যে
পরিমাণ
বিনিয়োগ
দরকার,
তা
কীভাবে
হবে,
বাজেটে
কিন্তু
বলা
হয়নি।
নানা
কারণেই
ব্যক্তি
খাতের
বিনিয়োগ
কয়েক
বছর
ধরে
প্রায়
এক
জায়গায়
স্থবির
হয়ে
আছে।
এছাড়া গত
প্রায়
দেড়
বছরে
অনেক
সরকারি
প্রকল্পে
ধীরগতি
দেখা
গেছে।
তাই
শুধু
টাকার
অংকে
বরাদ্দ
বাড়ালেই
চলবে
না,
প্রয়োজন
ও
পরিস্থিতি
বিবেচনায়
মাঠ
পর্যায়ে
বাস্তবায়নেও
নজর
রাখতে
হবে।
মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার: ব্যবস্থাপনা পরিচালক
আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড










