বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। দেশটি এখন আর কেবল ডিজিটাল অর্থ ব্যবস্থা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে না; বরং এমন একটি নগদবিহীন (ক্যাশলেস) অর্থ ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে তুলছে, যা নাগরিকদের আয়, সঞ্চয়, ব্যয় এবং আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের পদ্ধতিকে আমূল বদলে দিতে পারে।
প্রায় ১৮ কোটি মানুষের বাংলাদেশে সক্রিয় মোবাইল সংযোগের সংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি, নিবন্ধিত মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাব ২৫ কোটিরও বেশি এবং গ্রাম ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে ২০ লাখের বেশি এজেন্ট। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বিস্তৃত মোবাইল মানি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। তবে এ রূপান্তরের প্রকৃত গুরুত্ব হিসাবের সংখ্যা বা অ্যাপ্লিকেশনের পরিমাণে নয়। এর গুরুত্ব নিহিত রয়েছে সেই সম্ভাবনায়, যার মাধ্যমে ডিজিটাল আর্থিক সেবা ঐতিহাসিকভাবে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা মানুষদের জীবনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
সঠিকভাবে পরিকল্পিত একটি নগদবিহীন অর্থনীতি কেবল নোটের পরিবর্তে মোবাইল ফোনের পর্দা ব্যবহারের বিষয় নয়। এটি মানুষের আর্থিক সেবায় প্রবেশাধিকারকে সুযোগে রূপান্তর করা, প্রতিটি লেনদেনকে নথিবদ্ধ করা এবং সেই নথিকে অধিকতর জবাবদিহির ভিত্তিতে পরিণত করার প্রক্রিয়া। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আয়, লিঙ্গ বা ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দেয়া।
গত এক দশকে বাংলাদেশের অগ্রগতি নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। ২০১১ সালে মোবাইল আর্থিক সেবা চালুর পর দেশটি অনেকাংশে নগদনির্ভর একটি ব্যবস্থা থেকে ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী এবং এজেন্ট নেটওয়ার্কসমৃদ্ধ একটি বহুমাত্রিক অর্থ ব্যবস্থায় রূপান্তর হয়েছে। বেতন প্রদান, প্রবাসী আয়, ইউটিলিটি বিল, সরকারি ভাতা, শিক্ষার ফি এবং দৈনন্দিন কেনাকাটায় মোবাইল ওয়ালেট এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
কভিড-১৯ মহামারীর সময় ডিজিটাল পেমেন্টের কৌশলগত গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপিত হওয়া এবং প্রচলিত নগদ বিতরণ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ার সময়ে ডিজিটাল ওয়ালেট দ্রুত ও তুলনামূলকভাবে নিরাপদ উপায়ে ত্রাণ, উপবৃত্তি এবং অন্যান্য জরুরি অর্থ পৌঁছে দেয়ার সুযোগ তৈরি করে। এ অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে যে ডিজিটাল অর্থ ব্যবস্থা কেবল একটি সুবিধা নয়; এটি এমন একটি অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যা সংকটের সময় একটি দেশের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।
পরবর্তী বড় পদক্ষেপ হলো আন্তঃসংযোগ বা ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করা। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী প্লাটফর্ম ও সেবা প্রদানকারীর নিজস্ব ব্যবস্থায় বিভক্ত ছিল। অনেক ব্যবসায়ীকে একাধিক কিউআর কোড রাখতে হতো, অন্যদিকে গ্রাহকরা যে অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়ালেট ব্যবহার করতেন, তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তেন। এ খণ্ডিত ব্যবস্থা ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে নিরুৎসাহ সৃষ্টি করেছে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি করেছে।
এ সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে বাংলা কিউআর। এর মূল ধারণাটি সহজ: এক দেশ, এক আন্তঃসংযুক্ত কিউআর মানদণ্ড। কোনো গ্রাহক ব্যাংকের অ্যাপ্লিকেশন, বিকাশ, রকেট, নগদ কিংবা অন্য কোনো অংশগ্রহণকারী সেবা ব্যবহার করলেও যেন একটি মাত্র কিউআর কোডের মাধ্যমে যেকোনো অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীর কাছে অর্থ পরিশোধ করতে পারেন। এটি শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়; বরং ডিজিটাল অর্থনীতির কাঠামোতে একটি মৌলিক পরিবর্তন।
ইন্টারঅপারেবিলিটি লেনদেনের জটিলতা কমাতে, ব্যবসায়ীদের অর্থ গ্রহণের খরচ কমাতে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে ডিজিটাল পেমেন্টকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে এটি নির্ভরযোগ্য লেনদেনের রেকর্ড তৈরি করবে। এসব তথ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য যেমন মূল্যবান, তেমনি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরো স্পষ্ট ধারণা লাভে নীতিনির্ধারকদেরও সহায়তা করবে।
ডিজিটাল পেমেন্টের অর্থনৈতিক সুফল ব্যাপক। নগদ টাকা ছাপানো, পরিবহন ও নিরাপদে সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। ব্যবসায়িক লেনদেন দ্রুত নিষ্পত্তি হবে, তারল্য ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা তাদের লেনদেনের ইতিহাস তৈরি করতে পারবেন। কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লেনদেন যদি ডিজিটালভাবে নথিবদ্ধ থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক ঋণ, বীমা ও সঞ্চয়পণ্য পাওয়ার সুযোগও সহজ হতে পারে।
ডিজিটাল পেমেন্ট সরকারি প্রশাসনকেও আরো শক্তিশালী করতে পারে। সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, শিক্ষাবৃত্তি ও বেতনসহ সরকার থেকে জনগণের কাছে প্রদেয় অর্থ সরাসরি নির্ধারিত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। এতে অর্থের অপচয়, অনিয়ম এবং অপ্রয়োজনীয় মধ্যস্বত্বভোগীর ভূমিকা কমবে। একইভাবে কর, ফি ও ইউটিলিটি বিলসহ জনগণের কাছ থেকে সরকারের কাছে প্রদেয় অর্থ পরিশোধ আরো সহজ ও অনুসরণযোগ্য হবে।
এ স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড থাকলেই দুর্নীতি সম্পূর্ণ নির্মূল হয় না; তবে অনানুষ্ঠানিক অর্থ লেনদেন ও অর্থ আত্মসাতের সুযোগ অনেকটাই সীমিত করা যায়। পাশাপাশি আরো বেশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থার আওতায় এনে করের ভিত্তি সম্প্রসারণে সহায়তা করা সম্ভব। অতএব নগদ অর্থ থেকে অনুসরণযোগ্য ডিজিটাল লেনদেনে রূপান্তরের প্রভাব শুধু আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।
তবে আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, হিসাবের সংখ্যা বাড়লেই প্রকৃত আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হয় না। কারো নামে একটি নিবন্ধিত মোবাইল ওয়ালেট থাকতে পারে, কিন্তু তিনি হয়তো নিয়মিত তা ব্যবহার করেন না। কোনো ব্যবসায়ীর কাছে কিউআর কোড থাকতে পারে, কিন্তু নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ, পর্যাপ্ত ডিজিটাল জ্ঞান বা ব্যবস্থাটির ওপর আস্থা না থাকায় তিনি তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে নাও পারেন। মানুষ যখন নিরাপদে, সাশ্রয়ীভাবে এবং স্বাধীনভাবে আর্থিক সেবা ব্যবহার করতে পারে, তখনই প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি অর্জিত হয়।
এক্ষেত্রে বেশকিছু বাধা এখনো রয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিক খুচরা লেনদেনের একটি বড় অংশে নগদ অর্থের আধিপত্য বিদ্যমান। লাখ লাখ মানুষ এখনো সাধারণ ফিচার ফোন ব্যবহার করেন। অনেক প্রবীণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভোগেন। কোনো কোনো গ্রামীণ এলাকায় সংযোগের ঘাটতিও গুরুতর। নারীদের মোবাইল আর্থিক হিসাবের মালিকানা পুরুষদের তুলনায় এখনো কম, যা স্থায়ী লিঙ্গবৈষম্যের বিষয়টি স্পষ্ট করে।
সাইবার নিরাপত্তা আরেকটি জরুরি উদ্বেগের বিষয়। প্রতারণা, পরিচয় চুরি, ফিশিং এবং সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক আক্রমণ দ্রুত মানুষের আস্থা নষ্ট করতে পারে। বিষয়টি পরিষ্কার: আস্থা ছাড়া শুধু ব্যাপকতা টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে না। অর্থ প্রদানের অবকাঠামোর পাশাপাশি শক্তিশালী এনক্রিপশন, বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই, তাৎক্ষণিক জালিয়াতি শনাক্তকরণ, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা এবং কার্যকর ভোক্তা-সচেতনতা কর্মসূচিও গড়ে তুলতে হবে।
এক্ষেত্রে সব অংশীজনের ওপরই দায়িত্ব রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংককে সুস্পষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে, ভোক্তাদের সুরক্ষা দিতে এবং প্রতিযোগিতা যেন ইন্টারঅপারেবিলিটিকে দুর্বল না করে তা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেবা সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য করতে হবে। ব্যবসায়ীদের প্রয়োজন ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজের সংগঠন এবং গণমাধ্যমের উচিত ডিজিটাল অর্থ ব্যবস্থার সুবিধা ও ঝুঁকি সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন করা।
সরকারকে আরো নিশ্চিত করতে হবে, নগদবিহীন অর্থ ব্যবস্থায় রূপান্তর যেন নতুন কোনো বঞ্চনার কারণ না হয়। তাড়াহুড়ো করে এ রূপান্তর ঘটালে স্মার্টফোন, স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ বা আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র না থাকা মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। আগামী বহু বছর নগদ অর্থ ও ডিজিটাল অর্থ পাশাপাশি চলবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত নগদ ব্যবহার করার কারণে নাগরিকদের শাস্তি দেয়া নয়; বরং ডিজিটাল পেমেন্টকে এত সহজ, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য করে তোলা, যাতে মানুষ স্বেচ্ছায় তা গ্রহণ করেন।
ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর জালিয়াতি শনাক্তকরণ, লেনদেনভিত্তিক ঋণ-যোগ্যতা নির্ধারণ, ব্যক্তিকেন্দ্রিক সঞ্চয় ও বীমা পণ্য, ওপেন ব্যাংকিং এবং সম্ভবত সুপরিকল্পিত ডিজিটাল টাকা চালু হতে পারে। এসব উদ্ভাবন এমন নাগরিকদের জন্যও নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, যাদের কখনো ব্যাংক হিসাবের বিবরণী বা জামানত ছিল না। তবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, ন্যায্যতা ও জবাবদিহির সুরক্ষা নিশ্চিত করেই এসব উদ্ভাবনকে পরিচালিত করতে হবে।
বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ তাই প্রযুক্তিগত নয়; বরং প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক। ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা যেন শুধু তথ্য সংগ্রহ বা বাণিজ্যিক আয় সৃষ্টির কাজে ব্যবহৃত না হয়ে মানুষের সেবায় নিয়োজিত হয়—এটি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এ যাত্রাপথে পাঁচটি নীতি আমাদের পথ দেখাতে পারে: বিশৃঙ্খল পরিবর্তনের আগে সুশাসন ও নিয়ন্ত্রণ, মুনাফার আগে অন্তর্ভুক্তি, প্লাটফর্মের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগে আন্তঃসংযোগ, প্রযুক্তির আগে আস্থা এবং ব্যাপকতার আগে সহযোগিতা।
কত দ্রুত কাগজের নোটের ব্যবহার কমে গেল—তার ভিত্তিতে একটি নগদবিহীন বাংলাদেশকে মূল্যায়ন করা উচিত নয়, বরং দেখতে হবে, গ্রামের একজন নারী সরাসরি প্রবাসী আয় গ্রহণ করতে পারছেন কিনা; একজন কৃষক সময়মতো তার পাওনা পাচ্ছেন কিনা; একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ঋণ পাওয়ার সুযোগ অর্জন করছেন কিনা; একজন শিক্ষার্থী কোনো অনিয়ম ছাড়াই উপবৃত্তি পাচ্ছে কিনা এবং একজন সাধারণ নাগরিককে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো ছাড়াই বিল পরিশোধের সুযোগ দেয়া হচ্ছে কিনা।
ডিজিটাল অর্থ ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি শেষ পর্যন্ত মর্যাদা, স্বচ্ছতা ও সুযোগের প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশ যদি তার ডিজিটাল রূপান্তরের কেন্দ্রে মানুষকে রাখে, তাহলে দেশের নগদবিহীন অর্থ ব্যবস্থা শুধু জাতীয় সাফল্যের উদাহরণ হয়ে থাকবে না; এটি বিশ্বব্যাপী অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের একটি শক্তিশালী মডেলেও পরিণত হতে পারে।
ড. মো. তৌহিদুল আলম খান: এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
[গত ৩ সেপ্টেম্বর আইসিএমএবি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএ ও বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান এফসিএমএকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সিপিডি সেশনে ‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি ক্যাশলেস ইকোসিস্টেম’ শীর্ষক লেখক কর্তৃক উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ]





