অমর্ত্য সেন
সম্প্রতি
এক
সাক্ষাত্কারে
ভারতের
কভিড-১৯
পরিস্থিতি
নিয়ে
যা
বলেছেন,
তা
পুরো
দক্ষিণ
এশিয়ার
জন্যই
প্রযোজ্য
বলে
আমারও
মনে
হয়েছে।
প্যানডেমিক
পরিস্থিতি
মোকাবেলা
প্রসঙ্গে
এ
নোবেলজয়ী
অর্থনীতিবিদ
বলেন,
সব
মানুষের
জন্য
ভালো
না
করতে
পারার
কারণ
হলো,
‘সুচিন্তা
ও
সমদৃষ্টির
অভাব’।
তিনি
সামাজিক
জরুরি
ব্যবস্থার
প্রতি
গুরুত্বারোপ
করে
বলেন,
‘স্বাধীনতা
আন্দোলনের
সময়
থেকে
আমরা
বলে
আসছি
একে
অন্যকে
সাহায্য
করার
জন্য
সামাজিক
ব্যবস্থা
দরকার
কিন্তু
যখন
আমাদের
হাতে
ক্ষমতা
এল
তখনো
খুবই
নড়বড়ে
ব্যবস্থা
হলো।
এর
পেছনে
একদিকে
আছে
আমাদের
মূর্খতা।
আমি
সামাজিক
মূর্খতার
কথা
বলছি,
কীভাবে
রোজগার
করা
যায়,
কী
করে
টাকা
বাড়ানো
যায়,
সেসব
ব্যাপারে
অনেক
লোকের
খুবই
বুদ্ধি
আছে।
কিন্তু
সেই
বুদ্ধিটা
সামাজিক
ব্যবস্থার
মধ্যে
কাজে
লাগানো
হয়নি।’
দেশের ৮০
শতাংশের
বেশি
মানুষ
গ্রামে
বাস
করে।
অথচ
করোনার
মতো
মহামারী
মোকাবেলায়
আমরা
গ্রামীণ
জনগোষ্ঠীর
জন্য
ঠিক
কী
এবং
কতটা
করার
সুযোগ
রয়েছে
কিংবা
কী
প্রস্তুতি
এখনো
নিতে
বাকি
রয়েছে,
তা
আমরা
কেউ
জানি
না।
কভিড
১৯-এর
চিকিৎসা
পাওয়ার
সব
সুযোগ
বা
অধিকার
যেন
শহুরে
নাগরিকদের
মধ্যে
সীমাবদ্ধ
হয়ে
না
পড়ে,
সে
ব্যাপারে
সতর্ক
হওয়া
দরকার।
কভিড
১৯-এর
মতো
একটা
মহামারীকে
দীর্ঘমেয়াদে
মোকাবেলা
করার
জন্য
যে
ধরনের
স্বাস্থ্য
অবকাঠামোর
দরকার,
সেটা
হয়তো
পৃথিবীর
কোনো
দেশেরই
নেই।
অন্তত
সাম্প্রতিক
অভিজ্ঞতা
তা-ই
বলে।
বাংলাদেশের
স্বাস্থ্য
অবকাঠামো
তার
থেকে
আলাদা
নয়।
তবুও
সীমিত
সেই
সামর্থ্যও
যথাযথ
ব্যবহার
করে
কাঙ্ক্ষিত
সুফল
পাওয়া
সম্ভব।
এজন্য
প্রয়োজন
স্বল্প,
মধ্য
ও
দীর্ঘমেয়াদি
নানা
পদক্ষেপ
গ্রহণ।
যদিও কভিড-১৯
আমাদের
স্তম্ভিত
করে
ঠেলে
দিয়েছে
অসহায়তার
চূড়ান্ত
প্রান্তে।
এখন
আমরা
দ্বিতীয়
ও
তৃতীয়
ওয়েভের
মাঝামাঝি
আবস্থান
করছি।
ডব্লিউএইচও
এরই
মধ্যে
তৃতীয়
ওয়েভের
জন্য
বড়সড়
হুঁশিয়ারি
দিয়েছে।
বাংলাদেশে
এটা
এতদিন
‘শহুরে
রোগ’
ছিল।
কিন্তু
গত
ঈদুল
ফিতরের
পর
থেকে
তা
গ্রামগুলোয়
ব্যাপকভাবে
ছড়িয়ে
পড়েছে।
তাছাড়া
বিশেষ
করে
পশ্চিম
বাংলার
বিধানসভা
নির্বাচনের
পর
দুই
বাংলায়
এ
রোগ
ব্যাপকভাবে
ছড়িয়ে
পড়ে।
আমাদের
দক্ষিণ-পশ্চিম
সীমান্ত
এলাকায়
তার
প্রভাব
পড়েছে
বড্ড
বেশি।
অকস্মাৎই
সীমান্তের
গ্রামগুলো
বিশেষ
করে
খুলনা,
সাতক্ষীরা,
যশোর,
ঝিনাইদহ,
চুয়াডাঙ্গা,
রাজশাহী,
চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ
অন্যান্য
জেলার
লোকজন
কভিড-১৯-এর
ভারতীয়
ভ্যারিয়েন্ট
দ্বারা
ব্যাপকভাবে
আক্রান্ত
হয়।
যদিও
প্রথমবার
যে
টিকা
দেয়া
হয়েছিল,
তা
ছিল
শহরকেন্দ্রিক
এবং
সেটাই
তখন
প্রয়োজন
ছিল।
নানা জটিলতায়
দেশে
একটা
বড়
সময়
টিকা
কার্যক্রম
বন্ধ
ছিল।
পাশাপাশি
প্রায়
১৫
লাখ
লোক
দ্বিতীয়
ডোজের
অপেক্ষায়
রয়েছে।
তবে
সরকারের
দক্ষ
টিকা
কূটনীতির
কারণে
বর্তমানে
আবার
তা
ব্যাপকভাবে
শুরু
হয়েছে।
সরকার
দেশের
প্রাপ্তবয়স্ক
সব
নাগরিককে
টিকা
দিতে
বদ্ধপরিকর,
বিষয়টি
নিঃসন্দেহে
প্রশংসনীয়।
কিন্তু
ভাবনার
বিষয়
হলো,
গ্রামগুলোয়
কীভাবে
টিকা
দেয়া
হবে
তা
এখনো
স্পষ্ট
নয়।
কারণ
উপজেলা
স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের
জনবল
এই
বিশাল
কর্মযজ্ঞের
তুলনায়
বেশ
অপ্রতুল।
এমনকি
প্রতি
ইউনিয়নে
যে
পরিবার
পরিকল্পনা
ও
কমিউনিটি
ক্লিনিক
রয়েছে,
তার
জনবলও
এত
মেগা
কার্যক্রমের
জন্য
পর্যাপ্ত
নয়।
ফলে
গ্রামগুলোয়
কভিড
নিয়ে
যাবতীয়
সেবা
কীভাবে
দেয়া
সম্ভব
হবে,
এ
নিবন্ধের
সেটাই
আলোচ্য
বিষয়।
এখানে টিকার
প্রশ্ন
পরে।
প্রথমে
গ্রামীণ
মানুষের
কভিড-সংক্রান্ত
অন্যান্য
সেবা
অর্থাৎ
টিকার
জন্য
রেজিস্ট্রেশন,
হেল্প
লাইন
থেকে
সেবা
নেয়া,
অসুস্থদের
হাসপাতালসহ
চিকিৎসাসেবা
প্রদান,
সংক্রমণ
টেস্ট
করানো
ইত্যাদি
সেবা
বেশ
জটিল
কাজ।
অর্থাৎ
প্রি
ও
পোস্ট
টিকা
পরিস্থিতি
মোকাবেলার
জন্য
পুরো
সমাজের
সক্রিয়
অংশগ্রহণ
প্রয়োজন।
‘স্বাস্থ্যসেবা
সক্ষমতা’
ধারণাটি
আমাদের
দেশে
তেমন
চালু
নেই।
তবে
বাংলাদেশের
এমন
কিছু
অভিজ্ঞতা
রয়েছে,
যা
একটি
দেশকে
সাহস
দেখাতে
পারে।
এখন
তেমনই
এক
অভিজ্ঞতার
কথা
শোনাব।
এ
কার্যক্রম
কভিড-১৯
মোকাবেলায়
সমাজকে
সক্ষম
করতে
বিশেষ
ভূমিকা
পালন
করেছে।
সরকারের
হাতকে
করেছে
অনেকটা
শক্তিশালী।
ঘটনাটি ঝিনাইদহ
জেলার
মহেশপুর
থানার
৭
নং
কাজিরবেড়
ইউনিয়নের
সামন্তা
বাজারের।
গ্রামটি
ভারত-বাংলাদেশ
জিরো
পয়েন্টে
অবস্থিত।
যেখানে
রয়েছে
একটি
ব্যক্তি
উদ্যোগে
পরিচালিত
গণপাঠাগার।
নাম
‘সিরাজুল
ইসলাম
পাঠকেন্দ্র’।
পাশাপাশি
রয়েছে
বিশ্ববিদ্যালয়ের
ছাত্রদের
‘ড্রিমার্স’
নামে
একটি
অনলাইন
প্লাটফর্ম,
যার
সদস্য
৯০
জনের
কাছাকাছি।
এ
দুটি
প্রতিষ্ঠান
একত্র
হয়ে
গ্রামের
মানুষদের
কভিড-সংক্রান্ত
নানামুখী
সহায়তা
দিচ্ছে।
সব
সদস্য
‘কভিড
ভলান্টিয়ার’
হিসেবে
সংশ্লিষ্টদের
দিবারাত্রি
সেবা
দিয়ে
যাচ্ছে।
এ
দুটি
প্রতিষ্ঠান
কভিড
আক্রান্তদের
তথ্য
সহায়তা
থেকে
শুরু
করে
উপজেলা
স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের
সঙ্গে
যোগাযোগ
করাচ্ছে।
বর্তমানে
তারা
গ্রামীণ
জনগণের
টিকার
জন্য
রেজিস্ট্রেশন
সম্পন্ন
করছে।
নিরলসভাবে
অক্সিমিটারসহ
অন্যান্য
সহযোগিতা
দিয়ে
যাচ্ছে,
যা
সরকারি
কার্যক্রমকে
দারুণভাবে
সহযোগিতা
করছে।
এ
পর্যন্ত
ড্রিমার্স
সদস্যরা
দুই
হাজার
লোকের
ব্লাড
গ্রুপ
নির্ণয়
করেছে।
আর
এর
সবকিছুই
হচ্ছে
সম্পূর্ণ
বিনা
পয়সায়!
বাজারে একটি
ঘর
ভাড়া
নেয়া
হয়েছে
কভিড-সংক্রান্ত
তথ্য
সহায়তার
জন্য।
এর
সঙ্গে
যুক্ত
হয়েছেন
স্থানীয়
ডাক্তার
ও
মেডিকেলের
ছাত্ররা।
এক্ষেত্রে
স্থানীয়
কিছু
ফার্মেসি
ব্যবসায়ী
এবং
অন্যান্য
ব্যবসায়ী
এগিয়ে এসেছেন।
ঢাকায়
অবস্থানরত
একদল
পরামর্শক
তাদের
সঙ্গে
নিয়মিত
জুম
মিটিংয়ের
মাধ্যমে
যোগাযোগ
রাখছেন।
এরই
মধ্যে
এলাকায়
পর্যাপ্ত
মাইকিং
ও
লিফলেট
বিলি
করা
হয়েছে।
প্রযোজ্য
ক্ষেত্রে
জেলা
প্রশাসক
ও
মহেশপুর
থানার
ইউএনও
মহোদয়কে
সম্পৃক্ত
করা
হয়েছে।
তাছাড়া
উপজেলা
স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে
নিয়মিত
তথ্য
প্রদান
করা
হচ্ছে
এবং
স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্স
কর্তৃপক্ষ
নিষ্ঠার
সঙ্গে
দায়িত্ব
পালন
করছে।
প্রয়োজনের
তুলনায়
এ
উদ্যোগ
হয়তো
খুব
বেশি
কিছু
নয়।
তবে
এটাও
ঠিক
যে
আমরা
সরকারের
কভিডের
বিরুদ্ধে
যে
সংগ্রাম,
তার
সঙ্গে
সম্পৃক্ত
হতে
পেরেছি।
তাছাড়া
কভিড
ভলান্টিয়ারের
ধারণাটি
সীমিত
আকারে
হলেও
বাস্তবায়ন
করতে
সক্ষম
হয়েছি।
গ্রামের
মানুষগুলোর
অসহায়তা
কেটেছে
এসব
তরুণের
নিরলস
তত্পরতায়।
প্রমাণিত
হয়েছে
যে
ব্যাপকভাবে
কমিউনিটিকে
ইনভলভ
করতে
পারলে
সারা
দেশে
সরকারের
কভিড-সংক্রান্ত
কার্যক্রম
অনেকটা
জোরদার
হবে।
সমাজের সক্ষমতা
না
বাড়ালে
এ
লড়াই
শুধু
সরকারের
স্বাস্থ্য
বিভাগের
পক্ষে
চালিয়ে
যাওয়া
খুব
কঠিন
হবে,
যা
অমর্ত্য
সেনের
ভাষায়,
‘একে
অন্যকে
সাহায্য
করার
জন্য
সামাজিক
ব্যবস্থা
দরকার।’
কোনো
সমস্যাকে
চ্যালেঞ্জ
করতে
হয়
সমবেতভাবে।
পারস্পরিক
সহানুভূতি
ও
ইতিবাচক
সম্পর্ক
যার
মূলে
কাজ
করে।
সবাই
মিলে
নিতে
হয়
সিদ্ধান্ত।
সমস্যাকে
চ্যালেঞ্জ
করতে
হবে
সমবেতভাবে,
এককভাবে
নয়।
তাই
কভিড-১৯
মোকাবেলায়
‘কমিউিনিটি
অ্যাপ্রোচ’-এর
ধারণা
বাস্তবায়ন
করা
অত্যন্ত
জরুরি।
সেটা
সম্ভব
হলে
দীর্ঘমেয়াদে
কভিড
যেমন
জনশক্তি
তৈরি
করবে,
ঠিক
তেমনিভাবে
গ্রামকেন্দ্রিক
সেবা
প্রদানের
পথ
করবে
সহজতর।
আর
এ
অ্যাপ্রোচ
হবে
ইউনিয়নকেন্দ্রিক।
কভিড-সংক্রান্ত
সব
প্রাথমিক
সেবা
প্রদান
করতে
হবে
ইউনিয়ন
পর্যায়
থেকে।
আমাদের
অভিজ্ঞতা
বলে
তাতে
ফল
ভালো
হয়।
গ্রামের দরিদ্র,
অশিক্ষিত
মানুষগুলো
যেন
মনে
না
করে
তারা
অসহায়
বলে
তাদের
দেখার
কেউ
নেই।
সরকারের
স্বাস্থ্যকর্মীদের
সঙ্গে
কাজ
করবে
কভিড
ভলান্টিয়াররা।
যত
দ্রুত
সম্ভব
একেকটি
ইউনিয়নে
অন্তত
৩০
জন
ভলান্টিয়ার
থাকতে
হবে।
তাদের
ওয়ার্ডভিত্তিক
দায়িত্ব
বণ্টন
করতে
হবে।
মনে
রাখতে
হবে
নীতিমালা
আর
কথা
দিয়ে
মহামারী
মোকাবেলা
করা
সম্ভব
নয়।
এমন
নাজুক
অবস্থায়ও
পশ্চিম
বাংলার
‘রেড
ভলান্টিয়াররা’
(বাম রাজনৈতিক
দলের
যুব
সংগঠন)
বাড়ি
বাড়ি
পৌঁছে
দিয়েছে
খাবার,
অক্সিজেন
সিলিন্ডার
আর
ওষুধ।
প্রশ্ন
হলো,
আমরা
কেন
পারব
না?
অতিমারীতে
চিকিৎসাসেবা
কেবল
চিকিৎসকদের
ওপর
নির্ভর
করে
না।
দ্রুত
ফল
পেতে
চাই
সমন্বিত
উদ্যোগ।
সবাই
একসঙ্গে
লড়াইটা
করতে
হবে।
শুধু
সরকারের
নীতির
সমালোচনা
করলে
কিংবা
চিকিৎসকের
দোষ
দিলে
চলবে
না।
কাঁধে
কাঁধ
মিলিয়ে
সবাইকে
এগিয়ে
আসতে
হবে।
ভাইরাস একটি
কিন্তু
সমস্যা
শতাধিক।
এক্ষেত্রে
খুব
প্রয়োজন
হলো
মানুষকে
সচেতন
করা।
এ
পর্যন্ত
দেশে
২০
হাজারের
অধিক
মানুষ
কভিড
আক্রান্ত
হয়ে
মারা
গেছে।
লকডাউনের
ফলে
মানুষের
আয়
অনিশ্চিত
হয়ে
পড়েছে।
পিতা
আত্মহত্যা
করেছে
পুত্রকে
খাবার
দিতে
না
পেরে!
গবেষণা
বলছে,
এমনকি
পারিবারিক
সহিংসতা
বেড়েছে
উল্লেখযোগ্য
মাত্রায়।
সরকারের ইউনিয়ন
পর্যায়ে
টিকাদানের
ঘোষণা
সত্যিই
আশার
আলো
জাগাচ্ছে।
এমনকি
রেজিস্ট্রেশনের
জটিলতাও
ক্রমেই
হ্রাস
করা
হচ্ছে।
এখন
সেগুলো
সুষ্ঠুভাবে
সম্পন্ন
করাটাই
বড়
চ্যালেঞ্জ।
সেক্ষেত্রে
কমিউনিটিকে
সক্রিয়
অংশগ্রহণে
উদ্বুদ্ধ
করাটা
জরুরি।
আরো
কিছু
বিষয়
মাথায়
রাখা
দরকার।
সেগুলো
হলো
সমস্যাটি
এখানেই
শেষ
নয়,
তার
জন্য
দরকার
দীর্ঘমেয়াদি
পরিকল্পনা
ও
পোস্ট
ভ্যাকসিন
সেবা
বিষয়ে
বাস্তবসম্মত
পরিকল্পনা।
গ্রাম
এলাকায়
কভিড
ভলান্টিয়ার
গ্রুপ
তৈরি
করা
(লকডাউনে ফুডপান্ডা,
রেড
ভলান্টিয়াররা
যা
করেছে,
সে
অভিজ্ঞতা
কাজে
লাগানো
যেতে
পারে)
এবং
কভিড
ভলান্টিয়ারদের
প্রথমেই
টিকা
এবং
প্রয়োজনীয়
ট্রেনিং
দেয়া।
স্থানীয়
বাজারে
কভিড
টেস্ট
করার
জন্য
ভ্রাম্যমাণ
গাড়ি
ব্যবহার
করা।
উপজেলা
স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে
শিগগিরই
টেলি-মেডিসিন
সার্ভিস
চালু
করা।
প্রয়োজন
আরটিপিসিআর
মেশিন
ও
ফুসফুস-সিটি
স্ক্যানার
নিশ্চিত
করা।
সিনিয়র
সিটিজেনদের
জন্য
ডোর-স্টেপ
টিকা
প্রদানের
ব্যবস্থা
করা।
অক্সিমিটার
গ্রামীণ
এলাকায়
সহজলভ্য
করা।
গ্রাম
এলাকায়
অক্সিজেন
সিলিন্ডারের
সরবরাহ
করা,
যাতে
ক্রাইসিস
মোকাবেলার
ন্যূনতম
সুযোগ
থাকে।
ইউনিয়নভিত্তিক ইন্টারনেট
সার্ভিস
ব্যবহার
করে
দরিদ্রবান্ধব
চিকিৎসাসেবা
প্রদান
করা।
স্থানীয়
কেবল
অপারেটরের
মাধ্যমে
ও
সোস্যাল
মিডিয়ায়
ব্যাপকভাবে
কভিড
স্বাস্থ্যবিধি
প্রচার
করা।
কমিউনিটি
ক্লিনিক
এবং
পরিবার
পরিকল্পনা
ক্লিনিকগুলোয়
তথ্যসেবা
পর্যাপ্ত
থাকা।
স্থানীয়
রাজনৈতিক
সংগঠন,
এনজিও,
কলেজ,
স্কুল,
সামাজিক
সংগঠনকে
সরকারের
কাজের
সঙ্গে
সম্পৃক্ত
করা।
বেসরকারি
চিকিৎসাসেবাকে
উৎসাহিত
করা,
যাতে
উপজেলায়
কভিড
সেবার
সুযোগ
সৃষ্টি
হয়।
অনলাইনভিত্তিক
পোর্টাল
তৈরি
করা,
যাতে
ইউনিয়নের
সবাই
কাস্টমাইজড
সেবায়
যুক্ত
থাকতে
পারে।
কেবল
বিদ্যমান
স্বাস্থ্য
পরিকাঠামোর
ওপর
ভিত্তি
করে
বিশাল
জনগোষ্ঠীর
এ
ধরনের
মহামারী
মোকাবেলা
করা
প্রায়
অসম্ভব।
সেজন্য
প্রয়োজন
সমন্বিত
কভিড
স্বাস্থ্য
কার্যক্রম,
যা
দীর্ঘমেয়াদে
সুফল
বয়ে
আনবে।
সমাজকে
আরো
বেশি
সক্ষম
করে
তুলতে
হবে।
সেটা
সম্ভব
হলে
গ্রামীণ
জনগণ
দীর্ঘমেয়াদে
চিকিৎসা-সংক্রান্ত
সুফল
পাবে।
পরিশেষে কবি
সুকান্তের
সঙ্গে
সুর
মিলিয়ে
বলব,
‘পৃথিবী
অবাক
তাকিয়ে
রয়,
জ্বলে
পুড়ে
মরে
ছারখার
তবু
মাথা
নোয়াবার
নয়।’
আসুন
আমরা
সবাই
মিলে
করোনা
প্রতিরোধে
শামিল
হই।
কভিডমুক্ত
বাংলাদেশ
গড়ি।
ড. মোহা. আমিনুর রহমান: সমাজবিজ্ঞানী ও উন্নয়ন গবেষক










