ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা সোমবার (৫ মে) গাজা উপত্যকা অনির্দিষ্টকালের জন্য দখলে নেয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে। এটি এমন এক পদক্ষেপ যা দুই দশক আগে ছেড়ে যাওয়া ভূখণ্ডে ইসরায়েলের পুনঃনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পথ খুলে দিতে পারে। খবর এপি।
২০০৫ সালে দীর্ঘ দখলদারিত্ব শেষে ইসরায়েল গাজা থেকে সরে দাঁড়ায়। তবে এরপর থেকে মিসরের সঙ্গে মিলে উপত্যকার ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে। সোমবারের ঘোষণায় পুনর্দখলের প্রকৃত কাঠামো বা মেয়াদ নিয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। তবে এমন পদক্ষেপ গাজার ভেতরে আবারো ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের সম্ভাবনা তৈরি করছে। বিশেষ করে বর্তমান উগ্র-জাতীয়তাবাদী সরকারের অধীনে যেটি বসতি সম্প্রসারণে আগ্রহী।
ইসরায়েলি নেতারা জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের আগে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হবে না। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, গাজা দখলের পরিকল্পনা হয়তো হামাসকে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় চাপ দেয়ার কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই পদক্ষেপ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আশাকে আরো অনিশ্চিত করে তুলতে পারে। গাজার জনগণের গভীর বৈরিতা ও আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ধারণার বিপরীতে এটি একটি বড় রাজনৈতিক বাধা তৈরি করবে। বিশেষ করে এমন সময়ে, যখন ইসরায়েল ট্রাম্পের গাজা দখল ও ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র পুনর্বাসনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে।
ফিলিস্তিনিরা গাজাকে তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে আসছে, শাসক যেই থাকুক না কেন। বিশ্বের অধিকাংশ দেশের অবস্থানও গাজাসহ একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে।















