ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ পালাবদলের আগ পর্যন্ত ভেনিজুয়েলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোয় সংবাদ সম্মেলনে দেয়া ভাষণে এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এ সময় ভেনিজুয়েলাকে ধনী ও নিরাপদ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশটির তেল শিল্পে বিনিয়োগ ও সেটিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনিজুয়েলার রাজধানীতে সফল অভিযান চালিয়েছে। ‘অ্যাবসোলুট রিজলভ’ নামে স্থল, আকাশ ও জলপথে চালানো এ অভিযানে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে সুরক্ষিত দুর্গ থেকে আটক করেছে মার্কিন সৈন্যরা।

তিনি আরো বলেন, গতকাল যুক্তরাষ্ট্র যে অভিযান চালিয়েছে সেটা আর কোনো দেশ কখনো পারেনি। এ অভিযানে আটক মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কে নেয়া হচ্ছে। তাদের মাদক সন্ত্রাসের দায়ে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।

এ সময় ট্রাম্প দাবি করেন, প্রতি বছর ভেনিজুয়েলা থেকে আসা মাদকে হাজারো মার্কিন নাগরিক প্রাণ হারান। এর জন্য তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে দায়ী করেন।

এ সময় আমেরিকার শত্রুদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, যে কেউ যদি আমাদের সার্বভৌমত্বকে বা আমাদের নাগরিকদের জীবন বিপন্ন করে, তাদের জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করা উচিত।

তিনি আরো বলেন, মার্কিন নৌবহর প্রস্তুত অবস্থায় নিজের অবস্থানে আছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সব দাবি সম্পূর্ণভাবে পূরণ ও সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের সামরিক বিকল্প বজায় রাখা হবে।

ট্রাম্প বলেন, ভেনিজুয়েলার সব রাজনৈতিক নেতা ও সামরিক কর্মকর্তাদের বুঝতে হবে, মাদুরোর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা তাদের সঙ্গেও ঘটতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ভেনিজুয়েলার মানুষ আবার স্বাধীন হলো। সেই সঙ্গে আজ আমেরিকা আরো নিরাপদ ও গর্বিত হলো।

এরপর তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে বক্তব্য হস্তান্তর করেন।

হেগসেথ শুরুতেই বলেন, একটি বিশাল যৌথ সামরিক ও আইনপ্রয়োগকারী বাহিনীর অভিযান, নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ইরানের মতো মাদুরো তার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু তিনি এর সুব্যবহার করতে পারেননি। তিনি 'গণ্ডগোল' পাকিয়েছে।