যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে কিছু পরিবর্তন আনায় গাজা-হামাস যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে ফের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সোমবার (১০ জুন) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হয়। এরপর এই প্রস্তাবের জবাব দেয় হামাস। খবর বিবিসি।
হামাসের জবাবটি পর্যালোচনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন জানিয়েছেন, হামাস যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে পাল্টা যেসব দাবি জানিয়েছে সেগুলোর কিছু ‘কাজ করবে’ অর্থাৎ মানা যাবে। তবে কিছু শর্ত মানা যাবে না বলেও জানান তিনি।
ব্লিঙ্কেনের এমন মন্তব্যের পর যুদ্ধবিরতিটি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের জবাবে মঙ্গলবার (১১ জুন) হামাস বলেছে, তারা প্রস্তাবের বিষয়ে তারা ইতিবাচক সাড়া দিতে প্রস্তুত। কিন্তু ইসরায়েলকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সৈন্য সম্পূর্ণ প্রত্যাহারে সম্মত হওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে হামাস।
এর প্রেক্ষিতে ইসরায়েলের সরকার কোনো মন্তব্য না করলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন হামাসের দাবি মানবে না ইসরায়েল।
যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাবে হামাস যা বলেছে তার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, এই চুক্তির পেছনে সারা বিশ্ব রয়েছে, ইসরায়েল সেটি গ্রহণ করেছে। হামাসও এক কথায় ‘হ্যাঁ’ বলতে পারত। তা না করে হামাস প্রায় ২ সপ্তাহের অপেক্ষা শেষে চুক্তিতে আরো পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করেছে। যার মধ্যে আবার অনেকগুলো তাদের পূর্বে নেয়া অবস্থানের বিরুদ্ধে চলে যায়। এর ফলস্বরূপ, হামাস যে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা চলবে, আরো বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফিলিস্তিনিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইসরায়েলিরাও কষ্ট পাবে।
যদিও ব্লিঙ্কেন স্পষ্ট করেননি যে হামাস কী কী পরিবর্তনের কথা বলেছে।










