ইউক্রেনে মনস্তাত্ত্বিক, কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে আগ্রাসী যুদ্ধে জড়িয়ে
পড়েছে রাশিয়া। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন এ পরিস্থিতিকে
চ্যালেঞ্জিং হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। খবর আল জাজিরা।
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো বলেছেন, রাশিয়ার সৈন্যরা
বেলারুশের সেনাবাহিনীকে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেছে। ক্রেমলিন
এটিকে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বুধবার (১৫ মে) রাশিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা তাস তাকে উদ্ধৃত করে
জানায়, যুদ্ধের তীব্রতা বেড়ে চলেছে। আমরা এ পরিস্থিতিতে কি করতে পারি? আমাদের এসব প্রাণঘাতী
অস্ত্রসহ বারুদ অসার রাখা প্রয়োজন।
রাশিয়ার বাহিনী ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চল খারকিভে যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট
খুলেছে। সীমান্তের নিকটবর্তী গ্রামগুলো দখল করছে। এ বিষয়ে ইউক্রেনের একজন কর্মকর্তা
কিছুদিন আগে সতর্ক করেছিলেন।
এদিকে মস্কোতে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে গতিশীল করতে এবং রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পকে জাতীয়করণের জন্য একজন অর্থনীতিবিদকে
মনোনীত করেছেন। কয়েকজন পর্যবেক্ষকের মতে, এটি ন্যাটোর সঙ্গে পুতিনের দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ে
রাশিয়াকে প্রস্তুত করার পরিকল্পনার ইঙ্গিত।










